• শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন
  • |
  • Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
না’গঞ্জ সদর উপজেলার আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত না’গঞ্জ সদরে দিনব্যাপি আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে ও জনগণের জনসচেতনতা বাড়াতে অব্যাহত কার্যক্রম চলমানঃ ডি‌সি রায়হান কবির নানা আয়োজনে নারায়ণগঞ্জে দিনব্যাপি বাংলাদেশ লেখক সম্মেলন অনুষ্ঠিত না’গঞ্জ সদরে ত্রয়োদশ জতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট বিষয়ে উদ্বুদ্ধকরণ সভা শীতবস্ত্রহীন শীতার্থ পথচারী,অসহায়, দরিদ্র, প্রতিবন্ধী ও ভাসমান মানুষের পাশে কম্বল নিয়ে মানবিক পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সী না’গঞ্জ সদরে শীতার্ত এতিম মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মাঝে ডিসির কম্বল বিতরণ সদরে প্রতিবন্ধী ব্যাক্তিদের মাঝে কম্বল বিতরণ ও পিঠা উৎসব কুষ্টিয়ায় নির্বাচনকালীন আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কনস্টেবল থেকে ইনস্পেক্টর পদে পুলিশ সদস্যদের প্রশিক্ষণ রাতে ফতুল্লার তল্লায় এতিমখানা ও শীতার্ত পথচারীদের মাঝে সদর ইউএনও’র কম্বল বিতরণ

আমজাদ মাস্টারের বিরুদ্ধে ‘টিচার্স টাওয়ার’ নির্মাণে দুর্নীতির অভিযোগ

বিডিনিউজ আই ডেস্ক : / ২৬৪ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুন, ২০২২
আমজাদ হোসেন

বিডি নিউজ আই, ফতুল্লা সংবাদদাতা: কানাইনগর ছোবহানীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে দুর্নীতির অভিযোগে সমালোচিত প্রধান শিক্ষক আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে এবার দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন খোদ শিক্ষকরা। ‘টিচার্স টাওয়ার’ নির্মাণে বড় অঙ্কের দুর্নীতির জবাব দিতে তাকে আইনী নোটিশও দেয়া হয়েছে। ওই নোটিশে বলা হয়েছে, আমজাদ হোসেনসহ আরও দুইজন মিলে ৫৫ লাখ ৮১ হাজার ৬২৪ টাকা আত্মসাত করেছেন।

এড. আবু তাহের মিয়া স্বাক্ষরিত ওই নোটিশ সূত্রে জানা গেছে, ২৮জন শিক্ষক মিলে ফতুল্লার হরিহরপাড়ায় একটি যৌথ ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেন। ‘টিচার্স টাওয়ার’ নামের ওই ভবন নির্মাণের জন্য প্রত্যেকে ১১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা করে মোট ৩ কোটি ২০ লাখ ৬০ হাজার টাকা জমা করেন। ওই টাকা টিচার্স টাওয়ার কমিটির তৎকালীন সভাপতি আমজাদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন ও কোষাধক্ষ্য আব্দুল খালেকের নিকট জমা হয়। কিন্তু ভবন নির্মাণের নামে ওই তহবিল থেকে তিনজনের যোগসাজসে সেখান থেকে ৫৫ লাখ ৮১ হাজার ৬২৪ টাকা আত্মসাত করেছেন বলে অভিযোগ তোলেন বর্তমান সভাপতি মোঃ মনির হোসেন।

এ বিষয়ে আমজাদ হোসেন বলেন, ওই নোটিশের জবাব দিয়ে দেয়া হয়েছে বলে আমি জানি। এরপর কী হয়েছে আর জানি না। তবে যিনি নোটিশ দিয়েছেন সে নিজেই দুর্নীতি করেছে।

কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক অথবা কোষাধ্যক্ষ না হয়ে মনির হোসেন কীভাবে দুর্নীতি করলো বা টাকা তার হাতে গেলো- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন এসবের প্রমাণ আছে। আমাকে সময় দেন আমি দেখাবো।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..