• মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১৮ অপরাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা-২০২৬’ আয়োজন উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির প্রস্তুতিমূলক সভা নারায়ণগঞ্জ সদরে দিনব্যাপি কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ফাতেমা তুজ জোহরা জান্নাতের ৯ম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া প্রার্থনা না:গঞ্জ সিভিল সার্জন ওএসডি হলেও ডা. আতিকুল বারী ও ডা.মোঃ আমিনুল বহাল তবিয়তে নতুন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থকে এনপিজেএ’র শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন নারায়ণগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে হেলথ ক্যাম্প ও পোষ্য প্রাণী প্রদর্শনী না.গঞ্জ সদরে কলেরা ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন ডা. মো. জহিরুল ইসলাম কুমিল্লা জেলার নতুন সিভিল সার্জন না.গঞ্জ সদরে ২০ দিনব্যাপি ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন প্রশিক্ষণ শেষে খালি হাতে ফিরবেন নারীরা, জানতে পেরেই উদ্যোগ নিলেন ডিসি জাহিদ

নারায়ণগঞ্জে জেল খাটার অভিজ্ঞতা’ নিতে ১১ বছরের শিশুকে হত্যা করল কিশোর বন্ধুরা

এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ / ৩৪৮ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

জেল খাটার অভিজ্ঞতা কেমন হয় এমন অদ্ভুত ও অবিশ্বাস্য শখ মেটাতে গিয়েই নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ১১ বছর বয়সী ফুল বিক্রেতা শিশু হোসাইনকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে তারই সমবয়সী ও কিশোর বন্ধুদের একটি দল।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সি এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের লোমহর্ষক তথ্য প্রকাশ করেন।
নিহত হোসাইন তার বাবার সঙ্গে নারায়ণগঞ্জ শহরে ফুল বিক্রি করত। গত ১৮ এপ্রিল সকাল থেকে সে নিখোঁজ ছিল। নিখোঁজের পাঁচ দিন পর, ২৩ এপ্রিল শুক্রবার বিকেলে দাপা ইদ্রাকপুর ব্যাংক কলোনি এলাকায় মিঠু মিয়ার একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে পুলিশ তার গলিত মরদেহ উদ্ধার করে। ওই পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়মিত আড্ডা দেওয়া ও মাদক সেবনকারী কিশোররাই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে তদন্তে বেরিয়ে আসে।
পুলিশ সুপার জানান, ঘটনার দিন সাইফুল, তানভীর ও ইউনুস নামের তিন কিশোর নিজেদের মধ্যে আলোচনার একপর্যায়ে সিদ্ধান্ত নেয় যে, “খুন করলে জেলে যেতে হয়” এবং জেলজীবন কেমন তা তারা পরখ করে দেখতে চায়।

এই পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়া হোসাইনকে টার্গেট করে। তাকে গাঁজা সেবনের প্রলোভন দেখিয়ে ওই পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই রাহাত, হোসাইন ও ওমর নামের আরও তিন বন্ধু অবস্থান করছিল। সবাই মিলে হোসাইনকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে হত্যা করে লাশ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

মরদেহ উদ্ধারের পর পুলিশি অভিযানে প্রথমে ইয়াসিন নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তীতে আরও পাঁচ কিশোরকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত ছয়জনের মধ্যে চারজন এজাহারভুক্ত আসামি।

মামলার ১ নম্বর আসামি ইয়াসিন ইতিমধ্যে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। পুলিশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো ছুরিটি উদ্ধার করেছে।

পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সি জানান, এই ঘটনায় জড়িত আরও একজন এখনো পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। কিশোরদের এমন বিকৃত মানসিকতা ও মাদকের বিস্তার রোধে মাদক ও কিশোর গ্যাং সহ সকল অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে অব্যাহত অভিযান চালানো হচ্ছে।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..