• বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:১৭ পূর্বাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
৯টা–৫টার দায়িত্বে সমাজ বদলাবে না: ডিসি জাহিদ ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে জেলাবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শান্তি ও সম্প্রীতির পথে চলার আহ্বান এসপি মিজানুর রহমান মুন্সির ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষ্যে মহানবীর (সা.) আদর্শে হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে শান্তিপূর্ণ নারায়ণগঞ্জ গড়ার আহ্বান ডিসি রায়হান কবিরের ফুলেল শুভেচ্ছা,দোয়া ও সাংবাদিকদের মিলনমেলায় অনুষ্ঠিত হলো জান্নাতের ৯ম জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা-২০২৬’ আয়োজন উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির প্রস্তুতিমূলক সভা নারায়ণগঞ্জ সদরে দিনব্যাপি কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ফাতেমা তুজ জোহরা জান্নাতের ৯ম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া প্রার্থনা না:গঞ্জ সিভিল সার্জন ওএসডি হলেও ডা. আতিকুল বারী ও ডা.মোঃ আমিনুল বহাল তবিয়তে নতুন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থকে এনপিজেএ’র শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন নারায়ণগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে হেলথ ক্যাম্প ও পোষ্য প্রাণী প্রদর্শনী

বহুলকাঙ্খিত কদমরসুল সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ / ৬৫৬ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

নারায়ণগঞ্জ জেলার বহুলকাঙ্খিত কদমরসুল সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন-এর প্রশাসক আবু ড. আবু নাসের মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ।

আজ বুধবার বিকালে শীতলক্ষ্যা ৫ নং খেয়া ঘাট সংলগ্ন এলাকায় কদম রসুল সেতু ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন কালে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রায়হান কবির, এলজিডির নির্বাহী পরিচালকসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
কদমরসূল সেতু স্থাপনের মূল বিষয় হলো শীতলক্ষ্যা নদীর উপর নির্মিতব্য এই সেতুর অবস্থান ও নির্মাণ কাজ নিয়ে সৃষ্ট বিভ্রান্তি নিরসন করা এবং প্রকল্পটি নির্ধারিত স্থানেই সম্পন্ন করা । সেতুটি নারায়ণগঞ্জের ৫ নম্বর ঘাট ও বন্দর উপজেলার একরামপুর এলাকার মধ্যে সংযোগ স্থাপন করবে, তবে কিছু সংগঠন ও ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে সংযোগ সড়কের নকশা পরিবর্তনের দাবি জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে সেতুটি নির্ধারিত স্থানেই নির্মিত হবে।
সেতুর প্রধান তথ্যসমূহ:
অবস্থান: সেতুটি শীতলক্ষ্যা নদীর ওপর নির্মিত হচ্ছে এবং এটি নারায়ণগঞ্জের ৫ নম্বর ঘাট ও বন্দর উপজেলার একরামপুর এলাকার মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করবে।
উদ্দেশ্য: দুই পাড়ের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ সহজ করা, বিশেষ করে জরুরি পরিস্থিতিতে হাসপাতালে পৌঁছানো দ্রুত ও সহজ করা।
নকশা নিয়ে বিভ্রান্তি: সেতুর পশ্চিম প্রান্তের সংযোগ সড়কের নকশা নিয়ে কিছু সংগঠন ও ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে পরিবর্তনের দাবি উঠেছে, যদিও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে এটি নির্ধারিত স্থানেই নির্মিত হচ্ছে।
নির্মাণ কাজ: প্রকল্পের নির্মাণ কাজ দ্রুত গতিতে চলছে এবং পিলার নির্মাণের জন্য মাটি পরীক্ষার কাজও চলছে।
দীর্ঘ প্রতীক্ষা: এই সেতুটি বন্দর এলাকার প্রায় দশ লাখ মানুষের ৫০ বছরের পুরনো একটি দাবি।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..