• বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
দেওভোগে আলী আহাম্মদ চুনকার দুই দিনব্যাপী ওরশ শুরু তৃতীয় দিনের মতো আন্দোলনে উত্তাল নারায়ণগঞ্জ তুরস্কে শুরু হচ্ছে জলবায়ু সম্মেলন COP31 আজমেরী ওসমানের সহযোগী আকতার নূরকে ছাড়াতে যুবদল আহবায়কের দৌড়ঝাঁপ চাষাড়ায় পরিবহন স্ট্যান্ডে চাঁদাবাজির অভিযোগ, পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা নারায়ণগঞ্জে ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে লিংক রোড অবরোধ, ডিসি-এসপির হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক নারায়ণগঞ্জ সদরে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের ২য় ও ৩য় ব্যাচের উদ্বোধন করেন ডিসি রায়হান কবির না’গঞ্জে চাঁদাবাজী, খুনোখুনি এবং দেশের অর্থ বিদেশে পাচারের মতো ঘটনা ঘটেছে: মাওলানা মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম পথ চলা শুরু হলো প্রিয় নারায়ণগঞ্জ ডট কমের শান্তিপূর্ণ দুর্গোৎসব উদযাপনে এসপিকে পূজা উদযাপন পরিষদের শুভেচ্ছা

সিদ্ধিরগঞ্জে ভূমিদস্যু জাকির গংদের সরকারি “ক” খতিয়ানের জমি বালু ভরাটে দখলের পায়তারা

নিজস্ব সংবাদদাতা / ৭৮৯ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

নারায়ণগঞ্জ জেলা সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন গোদনাইল মৌজাস্থ ভূইয়াপাড়া এলাকার সি,এস খতিয়ান নং-১০ ও এস,এ খতিয়ান নং- ৯ যাহার সি,এস ও এস,এ দাগ নং ১১৭১ এবং আর, এস খতিয়ান নং- ৫১৮ ও ১৩৩৮ এবং যাহার দাগ নং ৩৩৫৬ ও ৩৩৬৮। জমির মোট পরিমান ১২৬ শতাংশ। উক্ত দাগের ৩২ শতাংশ রেলওয়ে নিয়ে যায় এবং বাকি সম্পত্তি হতে সরকার রিফিউজি হিসেবে কয়েকটি পরিবারকে ১৫ শতাংশ দান করেন। সেই সাথে ৫টি পরিবারকে ৪৫ শতাংশ জমি লীজদান করেন কৃষি আবাদের জন্য।

কিন্তু আর, এস খতিয়ান নং-৫১৮ ও ১৩৩৮ যাহার দাগ নং – ৩৩৫৬ ও ৩৩৬৮। দুটি খতিয়ান এবং দাগে সরকারি তফসিল ভূক্ত “ক” খতিয়ানের আওতাভুক্ত হলেও উক্ত জমি হতে ১৫ ও ১৯ শতাংশ জমি দুজন ব্যক্তির নামে নামজারি হয়। তাই অনেকের মনে সন্দেহের প্রশ্ন জন্মনেয় ” ক ” তফসিল ভুক্ত জমি কি ভাবে নামজারী হলো? এ বিষয়টি নিয়ে গুঞ্জন চলছে এলাকাজুড়ে।

এলাকাবাসীর দাবী এই বিষয়টি নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক যেনো তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এবং সরকারি মালিকানাধীন সম্পত্তি যাহারা অবৈধভাবে অনুমতিহীন ড্রেজারের মাধ্যমে ভরাটের প্রস্তুতি নিচ্ছেন সেই সকল ভূমিদস্যুদের হাত থেকে রক্ষা করে নিজস্ব তত্তাবধানে রক্ষণাবেক্ষণের।

চৌধুরী বাড়ী ভূইয়া পাড়া এলাকার মৃত জয়নাল আবেদীন এর স্ত্রী রিজিয়া বেগম এর সন্তান আয়নাল শেখের (৬৫) নিকট থেকে কথাবলে জানাযায় যে, তাহার মাতা রিজয়া বেগম, মোহাম্মদ হোসেন,নিজামউদ্দিন, সাদেক ও ফাতেমা বেগম এই ৫ ব্যক্তি উক্ত দাগ হইতে দীর্ঘ বছর আগে ৪৫ শতাংশ লীজ প্রাপ্ত হন। কিন্তু সম্প্রতি মিছির আলীর পুত্র জাকির কন্টেকটার( ৫৫)
সম্প্রতি এই সরকারি জমির ১৫ শতাংশ জমি সরকারি ভূমি অফিসের লোকজন, পার্শ্ববর্তী সীমানার বসতি ও যারা লীজপ্রাপ্ত রযেছেন তাদের না জানিয়ে বা তাদের অনুপস্থিতিতে জাকির কন্টেকটার তার ভূমিদস্যু একটি সংঘবদ্ধ বাহিনী নিয়ে সরকারি “ক” তফসিল ও রেলওয়ের জমির সিমানা নির্ধারণ না করে জমিতে মাপজপ করে তার নমে ১৫ শতাংশ জমির একটি সাইনবোর্ড স্হাপন করেন এবং বাঁশ দিয়ে আড়গাড়া দিয়ে বালু ভরাটের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে । তারা আরো বলেন, এখানে সরকারি স্বার্থ থাকায় আমরা গণমাধ্যমের মাধ্যমে সরকারি ভূমি অফিসের উর্ধতন কর্মকর্তা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের নিকট দাবি জানাই ভূমি দস্যুদের হাত থেকে সরকারি সম্পত্তি রক্ষা করার। সেই সাথে দাবি রাখি এই ভূমিদস্যু চক্র আমাদের লীজ কৃত সম্পত্তি হতে আমাদেরকে বেদখলের পরিকল্পনা করছেন তাহা যেনো করতে না পারে তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..