• শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
মডেলিং -এর পাশাপাশি চলচ্চিত্রের নায়িকা হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে চলেছেন মেহেরুননেছা লিজা নারায়ণগঞ্জে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হলো শারদীয় দুর্গোৎসব,সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানালেন ডিসি মো: রায়হান কবির ধর্মের শিক্ষা শুধু উৎসবে নয়, প্রতিফলিত হোক কর্মেও: ডিসি জাহিদ নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ও ৫ নম্বর ঘাট বিসর্জনস্থল পরিদর্শন করেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ফতুল্লায় স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে স্বামীকে মারধরের অভিযোগ নারায়ণগঞ্জে ২৪০ মণ্ডপে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর দুর্গোৎসবঃ বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার ফতুল্লায় প্রবাসীর বাড়িতে ঢুকে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, স্ত্রী-সন্তানকে প্রাণনাশের হুমকি শারদীয় দুর্গোৎসবে না’গঞ্জের বিভিন্ন পূজা মন্ডপে মহিলা পরিষদ’র শুভেচ্ছা বার্তা প্রদান নারায়ণগঞ্জে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে পুলিশের মতবিনিময় সভায় ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কবি ও সাংবাদিক সাব্বির আহমেদ সেন্টুর জন্মদিন উদযাপন করলো নারায়ণগঞ্জ জার্নালিস্ট ইউনিটি

আন্তর্জাতিক সিডও দিবস উপলক্ষে মহিলা পরিষদ’র উদ্যোগে মতবিনিময় সভা

নিজস্ব সংবাদদাতা / ১৪৪ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

নারায়ণগঞ্জ জেলার আন্দোলন উপ-পরিষদের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক সিডও দিবস উপলক্ষে এক মতবিনিময় সভা সংগঠন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

বুধবার ৯ সেপ্টেম্বর বিকাল ৪টায় “সিডও সনদের ধারা ২ এবং ১৬.১(গ) থেকে সংরক্ষণ প্রত্যাহার কর, নারীর নাগরিক অধিকার সুরক্ষায় সম্পদ-সম্পত্তিতে সমান অধিকার নিশ্চিত কর” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ নারায়ণগঞ্জ জেলা সভাপতি রীনা আহমেদ।

বক্তারা বলেন- নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদ বা সিডও(CEDAW) নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে ১৯৭৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়। ১৯৮১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর থেকে সনদটি কার্যকর হতে শুরু করে। সিডও একমাত্র আন্তর্জাতিক চুক্তি বা সনদ, যা শুধু নারী সংক্রান্ত।এই সনদে মোট ৩০টি অনুচ্ছেদ বা ধারা রয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ১৬টি অনুচ্ছেদে নারীর প্রতি বিভিন্ন ধরনের বৈষম্য চিহ্নিত করা হয়েছে এবং পরের ১৪টি অনুচ্ছেদে সেই বৈষম্য দূরীকরণের উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার ১৯৮৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর সিডও সনদে স্বাক্ষর ও অনুমোদন করে। নারীর প্রতি বৈষম্য দূর করতে আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া এবং বিবাহ ও বিবাহবিচ্ছেদে সমানাধিকারের বিষয়ে সিডও সনদের ২ ও ১৬ (১) (গ) দুটি ধারায় সংরক্ষণ বহাল রেখেছে বাংলাদেশ। অনেক সরকার বদল হয়েছে। এই ধারার সংরক্ষণ এখনো রহিতকরণ হয়নি। ফলে প্রকৃত সমতা নিশ্চিত হচ্ছে না। সংরক্ষণ রহিত করতে হবে। নারী-পুরুষের সমতা প্রতিষ্ঠায় সিডও সনদের পূর্ণ অনুমোদনের জন্য চলমান সামাজিক আন্দোলনে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র সকল পর্যায়ে দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন জরুরি। মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে হবে। সারাদেশে নারীর প্রতি সহিংসতার যে চিত্র প্রতিনিয়ত লক্ষ্য করা যাচ্ছে, তা প্রতিরোধ করতে হলে সিডও সনদের বাস্তবায়ন জরুরি। রাষ্ট্রকেই প্রধান ভূমিকা পালন করতে হবে। সিডও সনদ বাস্তবায়ন করা হলে নারী-পুরুষের সমতাপূর্ণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হবে।

বক্তারা আরও বলেন, অভিন্ন পারিবারিক আইন বলতে সকল ধর্মের মানুষের জন্য প্রযোজ্য একটি সাধারণ পারিবারিক আইন বোঝায়। এই আইনে বিয়ে, তালাক, ভরণপোষণ, উত্তরাধিকার ইত্যাদি বিষয়ে সকল ধর্মের মানুষের জন্য একই নিয়মকানুন থাকবে। বর্তমানে বিভিন্ন ধর্মের জন্য ভিন্ন ভিন্ন পারিবারিক আইন প্রচলিত আছে, যা অনেক ক্ষেত্রে নারীদের জন্য বৈষম্যমূলক। অভিন্ন পারিবারিক আইন প্রণয়নের মাধ্যমে এই বৈষম্য দূর করা এবং নারী-পুরুষের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে বলে মনে করা হয়। বক্তারা সকলে একমত হয়েছেন যে- এই বিষয়ে শহর থেকে গ্রামে-গঞ্জে প্রচার চালাতে হবে, সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। সকল শ্রেণীর নারী-পুরুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই বৈষম্য দূর করতে হবে। রাষ্ট্রকে মূল ভূমিকা পালন করতে হবে।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন- সাধারণ সম্পাদক রহিমা খাতুন, মতবিনিময় করেন- আন্দোলন সম্পাদক সাহানারা বেগম, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এডভোকেট জাহিদুল হক দীপু, আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের সহযোগী অধ্যাপক সালমা আক্তার ডলি, প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শরীফ উদ্দীন আহমেদ সবুজ, সুজনের সভাপতি ধীমান সাহা জুয়েল, গণনসঙ্গতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা অঞ্জন দাস, সাংবাদিক আল মামুন প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পেশাজীবী: আইনজীবী(নারী ও পুরুষ), নারী শিল্প উদ্যোক্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, নারী উদ্যোক্তা, সাংবাদিক, শিক্ষক, ছাত্রীসহ জেলা ও পাড়া কমিটির অর্ধশতাধিক সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..