• মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ০৭:০১ অপরাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
নারায়ণগঞ্জ সদরে দিনব্যাপি কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জে পার্টনার ফিল্ড স্কুুল কংগ্রেস-২০২৬ অনুষ্ঠিত হাম থেকে বাঁচতে ড্যাব’র উদ্যোগে ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে সচেতনতামূলক প্রচারপত্র বিলি ফতুল্লায় অনা মেম্বারের উদ্যোগে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে দন্ত চিকিৎসা সেবা ও টুথপেস্ট-ব্রাশ বিতরণ দৈনিক আজকের নীরবাংলা’র ১৭তম বর্ষ পদার্পণে সাংগঠনিক দক্ষতায় সম্মাননা পেলেন কামরুল ইসলাম দৈনিক আজকের নীরবাংলা’র ১৭তম বর্ষ পদার্পণে পেশাগত দক্ষতায় সম্মাননা পেলেন জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ বর্ণিল আয়োজনে দৈনিক আজকের নীরবাংলা’র ১৭ বছরে পদার্পণ উদযাপন বন্দর উপজেলায় বিভিন্ন দপ্তর ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক রায়হান কবির নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬”এর বাছাই পর্ব সম্পন্ন নারায়ণগঞ্জে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

নারায়ণগঞ্জে জেল খাটার অভিজ্ঞতা’ নিতে ১১ বছরের শিশুকে হত্যা করল কিশোর বন্ধুরা

এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ / ৮৫ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

জেল খাটার অভিজ্ঞতা কেমন হয় এমন অদ্ভুত ও অবিশ্বাস্য শখ মেটাতে গিয়েই নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ১১ বছর বয়সী ফুল বিক্রেতা শিশু হোসাইনকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে তারই সমবয়সী ও কিশোর বন্ধুদের একটি দল।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সি এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের লোমহর্ষক তথ্য প্রকাশ করেন।
নিহত হোসাইন তার বাবার সঙ্গে নারায়ণগঞ্জ শহরে ফুল বিক্রি করত। গত ১৮ এপ্রিল সকাল থেকে সে নিখোঁজ ছিল। নিখোঁজের পাঁচ দিন পর, ২৩ এপ্রিল শুক্রবার বিকেলে দাপা ইদ্রাকপুর ব্যাংক কলোনি এলাকায় মিঠু মিয়ার একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে পুলিশ তার গলিত মরদেহ উদ্ধার করে। ওই পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়মিত আড্ডা দেওয়া ও মাদক সেবনকারী কিশোররাই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে তদন্তে বেরিয়ে আসে।
পুলিশ সুপার জানান, ঘটনার দিন সাইফুল, তানভীর ও ইউনুস নামের তিন কিশোর নিজেদের মধ্যে আলোচনার একপর্যায়ে সিদ্ধান্ত নেয় যে, “খুন করলে জেলে যেতে হয়” এবং জেলজীবন কেমন তা তারা পরখ করে দেখতে চায়।

এই পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়া হোসাইনকে টার্গেট করে। তাকে গাঁজা সেবনের প্রলোভন দেখিয়ে ওই পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই রাহাত, হোসাইন ও ওমর নামের আরও তিন বন্ধু অবস্থান করছিল। সবাই মিলে হোসাইনকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে হত্যা করে লাশ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

মরদেহ উদ্ধারের পর পুলিশি অভিযানে প্রথমে ইয়াসিন নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তীতে আরও পাঁচ কিশোরকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত ছয়জনের মধ্যে চারজন এজাহারভুক্ত আসামি।

মামলার ১ নম্বর আসামি ইয়াসিন ইতিমধ্যে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। পুলিশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো ছুরিটি উদ্ধার করেছে।

পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সি জানান, এই ঘটনায় জড়িত আরও একজন এখনো পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। কিশোরদের এমন বিকৃত মানসিকতা ও মাদকের বিস্তার রোধে মাদক ও কিশোর গ্যাং সহ সকল অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে অব্যাহত অভিযান চালানো হচ্ছে।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..