• শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সফর সফল করতে বাঁশখালী,শাহ আমানত বিমানবন্দর ও হাটহাজারীর অনুষ্ঠানস্থলের প্রতিটি প্রস্তুতি সরেজমিনে তদারকিতে দিনরাত মাঠে চট্টগ্রামের ডিসি জাহিদ সঠিক তথ্যভান্ডার নৌপরিবহনে দ্রুত সিদ্ধান্তে সহায়ক হবে : ডিসি মো :রায়হান কবির প্রিপেইড মিটার বাতিল দাবিতে ১১ আগস্ট নারায়ণগঞ্জ শহরে গণমিছিল, আসতে পারে হরতালের ঘোষণা ড. লুৎফুল কবিরের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি ও ন্যায়বিচারের আকুতি ফতুল্লার কমর আলী স্কুল ও কলেজের আয়োজনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত নারায়ণগঞ্জে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দিনব্যাপী জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে শ্রদ্ধা,দোয়া, স্মরণ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বক্তাবলীতে নারায়ণগঞ্জ জেলা সাহিত্য ফাউন্ডেশনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জে ব্র্যাকের প্রকল্প অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত দায়িত্ববোধ, মানবিকতা ও সামাজিক সচেতনতা ছাড়া শুধু চিকিৎসাসেবা দিয়ে সুস্থ সমাজ গড়া সম্ভব নয় : ডিসি জাহিদ ঢাবির দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী পলিনের পাশে দাঁড়ালেন মানবিক ডিসি মো: রায়হান কবির

হারিয়ে যেতে বসেছে কাউন

বিডিনিউজ আই ডেস্ক : / ৭১০ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ১ জুন, ২০২১
কাউন

সুস্বাদু একটি ফসলের নাম কাউন। যা গ্রামবাংলার ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। এক সময় গ্রামেগঞ্জে ব্যাপকভাবে চাষ হলেও বর্তমানে উন্নত জাত ফসলের প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে হারিয়ে যেতে বসেছে কাউন। স্বল্প খরচ, পরিবেশবান্ধব, সহজ চাষ পদ্ধতি ও পানি সাশ্রয়ী হওয়ার পরও শুধুমাত্র মানুষের অবহেলা-অনাদরে কাউনের চাষ আর নেই। ফসলটি যেন কালের গর্ভে বিলীন হতে চলেছে। কাউনের বৈজ্ঞানিক নাম ছিটারিয়া ইটালিকা গোত্র-গ্রামিনি।
এক মাস ধরে অনেক খোঁজাখুঁজির পরও কাউন চাষের দেখা মেলেনি মতলব উত্তর উপজেলায়। কথা হয় মতলব উত্তর উপজেলার চরকাশিম এলাকার মিন্নত বেপারী (৭০) সঙ্গে। তিনি জানান, আগে আমাদের এ অঞ্চলে অনেক জমিতেই কাউন চাষ হতো, এখন আর চোখে পড়ে না। ফসলটির চাষ পদ্ধতি সহজ, স্বল্প খরচ, পানি সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব। শুকনো জমিতে ঝুরঝুরে চাষের পর চৈত্র (এপ্রিল) মাসে বীজ ছিটিয়ে বপন করতে হয়। আষাঢ় (জুলাই) মাসে ফসল ঘরে ওঠে।
তিনি আরও জানান, মাঝে একবার নিড়ানি দিলেই হয়, সেচের প্রয়োজন হয় না। ফলন হয় বিঘাপ্রতি ১০-১৫ মণ। বাজারে চাহিদা রয়েছে প্রচুর। তাছাড়া কাউনের শীষ ছিঁড়ে নিয়ে অবশিষ্ট গাছ মাটির সঙ্গে মিশিয়ে জৈব সারের ঘাটতি মেটানো সম্ভব। আবার কেউ কেউ জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহার করে। কাউনের ভাত অত্যন্ত সুস্বাদু ও মুখরোচক। জন্ডিস রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে। পিঠা-পায়েস তৈরিতে এর কোনো জুড়ি নেই।
ওটারচর উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. শহীদ উল্লাহ প্রধান জানান, লাভজনক, সুস্বাদু, পরিবেশবান্ধব, স্বল্প খরচে আবাদযোগ্য ও পানি সাশ্রয়ী কাউন নামের দেশি এ ফসলটি যাতে বিলুপ্ত হয়ে না যায় এ জন্য সবার এগিয়ে আসা উচিত। দেশীয় জাতের এ ফসলটিকে আমাদের স্বার্থেই সংরক্ষণ করতে হবে। তা না হলে পরবর্তী প্রজন্ম জানতেই পারবে না কাউন নামটি।
উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষন কর্মকর্তা মজিবুর রহমান বলেন, কাউন ফসলটি আসলেই বিলুপ্তির পথে। উপজেলায় এখন কোনো চাষি কাউন আবাদ করে কিনা আমার জানা নেই। আমাদের স্বার্থেই দেশীয় জাতের কাউন ফসলটিকে আমাদের সংরক্ষণ করতে হবে।
উপজেলা কৃষি অফিসার মোহাম্মদ সালাউদ্দিন জানান, কাউন নামের ফসলটি আর নেই বললেই চলে। ফসলি জমি কমে যাওয়া ও বাজার মূল্য কম থাকায় ফসলটি এখন আর দেখা যায় না। তবে বিলুপ্তপ্রায় ফসল চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করা হচ্ছে।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..