• সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন
  • |
  • Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
১০ ডিসেম্বরের মধ্যে সন্দ্বীপ-চট্টগ্রাম নৌরুটে সীট্রাক চালু হবে: উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন যোগদান করেই কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ লাইনের বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন ও দিকনির্দেশনা প্রদান বাউল আবুল সরকারের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে বাউলশিল্পীদের ওপর হামলার ঘটনায় বাংলাদেশ আবৃত্তি ফেডারেশনের সুস্পষ্ট বিবৃতি  তারুণ্যের উৎসব ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে আন্তঃ কলেজ ফুটবল টুর্নামেন্টে-২০২৫ অনুষ্ঠিত না’গঞ্জ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসীমউদ্দিন’কে নারায়ণগঞ্জ জার্নালিস্ট ইউনিটি’র পক্ষে বিদায়ী শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনই আমাদের লক্ষ্য: চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের প্রতি সেহলী পারভীন এর ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন না’গঞ্জে নতুন এসপির দায়িত্ব পেলেন মিজানুর রহমান মুন্সী না’গঞ্জ সদরে জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ও প্রদর্শনী উদ্বোধন করেন ডিসি রায়হান কবির নারায়ণগঞ্জে ব্র্যাকের ডেঙ্গু প্রতিরোধ ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সভা

নারায়ণগঞ্জ পঞ্চবটি বিদ্যুৎ অফিসে চলছে অনিয়ম ও দূর্ণীতির মহাউৎসব

বিডিনিউজ আই ডেস্ক : / ১৩১৭ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : রবিবার, ২ জুন, ২০২৪

নিজস্ব সংবাদদাতা : নারায়নগঞ্জ  ফতুল্লার পঞ্চবটি,এনওসিএস, শীতলক্ষ্যায় ঢাকা পাওয়ার ডিস্টিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড -এর সহকারী প্রকৌশলি গোলাম মোরশেদের নেতৃত্বে অপকর্ম চলছে বলে ভুক্তভোগীদের  অভিযোগ।

অভিযোগে প্রকাশ, বিদ্যুৎ গ্রাহকদের সেবা নিশ্চিত করার বদলে জিম্মি করে অবৈধভাবে  রাতারাতি আয় করছে লক্ষ লক্ষ টাকা।  গোলাম মোরশেদের টেবিলে গ্রাহকদের নতুন লাইন সংযোগের  ফাইল প্রতি গুনতে হয় টাকা। এছাড়াও  বকেয়া বিদ্যুৎ বিল গ্রাহকদের লাইন কাটার হুমকির ভয় দেখিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের  টাকা।

তথ্য সূত্রে জানাযায়, নিয়ম অনুযায়ী কিলো প্রতি সরকারি মূল্য ১২০০/-টাকা ধার্য্য করা থাকলেও অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ বর্ধিত হারে  ১৮০০/-টাকা নিচ্ছে । শুধু তাই নয় নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ আবেদন করলে অফিসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ প্রতিটি ফাইলে  ৩০০০/-টাকা প্যাকেজ মূল্য নির্ধারণ করে নিয়েছেন। মাঠ পর্যায়ে কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ বিভিন্ন বাসা বাড়ীতে গিয়ে মিটার চেক করার নাম করে মিটারের বিভিন্ন ক্রটি দেখিয়ে জরিমানা করার ভয়-ভীতি দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা দাবী করে থাকেন বলে  জানান ভুক্তভোগী গ্রাহকরা। এ সব অবৈধ   সকল কিছুর মুলে চাবিকাঠি নাড়ছেন বলে অনেকের অভিযোগ  সহকারি প্রকৌশলী গোলাম মোরশেদ।

অনেকের অভিমত গোলাম মোরশেদ গড়ে তুলেছেন শক্তিশালী এই  সিন্ডিকেট। এ  সিন্ডিকেটের মাধ্যমে খোজ নিয়ে যানা যায় ইতিমধ্যে নাছিমা বেগম নামে এক গ্রাহকের মিটার পরিদর্শনের নামে হাতিয়ে নেয় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। যার গ্রাহক নং ৩৬১৩৬২৩৫। ৩৬১৪২১৭৪ ও ৩৬১৪২১৮৯ নং গ্রাহকের কাছ থেকে লাইন কেটার  নাটক সাজিয়ে নিয়েছেন দেড় লাখ টাকা। এছাড়াও ১৪৩১০৮৮৯ ও ১৪৩১৪৪২১ নং গ্রাহক মাসুদ গাজী এবং সাইফুল ইসলাম এর কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় গোলাম মোরশেদ।  তাঁর সকল অপকর্মের সহযোগী হিসেবে ভুমিকা রাখছে তাঁর পিয়ন।

অন্যদিকে মিটার রিডার ম্যান নিয়োগে ক্ষেত্রে তিনি নাকি করেছেন  সীমাহীন দূর্নীতি।

এব্যাপারে কতিপয়  অফিস কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কাছে জানতে চাইলে কোন সদউত্তর দিতে পারেন নাই। এ  বিষয়ে ভুক্তভোগীরা সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..