• মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
পুলিশ সুপারের সঙ্গে BKMEA, NCCI ও We Are Volunteers-এর সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় রোমানের সুচিকিৎসা ও মামলা থেকে অব্যাহতির দাবিতে ডিসি-এসপিকে স্মারকলিপি নারায়ণগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন নতুন কুঁড়িতে নিবন্ধনে দেশসেরা চট্টগ্রাম তোমাদের শুধু ভালো ছাত্র নয়, ভালো মানুষ হতে হবে : ডিসি রায়হান কবির মাত্র দুই সপ্তাহেই সর্ব মহলে আস্থার প্রতীক: নারায়ণগঞ্জে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান নারায়ণগঞ্জে খাজা সুপার মার্কেটে জুয়ার আসরে পুলিশ সুপারের অভিযান, আটক ২৮ নারায়ণগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আনসার-ভিডিপির সচেতনতামূলক প্রচারপত্র বিতরণ নারায়ণগঞ্জে জেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির সভায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে কঠোর নজরদারির নির্দেশ ডিসির আত্মকর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনা: নারায়ণগঞ্জ সদরে মাশরুম চাষ প্রশিক্ষণ শুরু

বাদলের ছেলে সাজনের অস্ত্রের আঘাতেই রক্তাক্ত হাতপাখা

বিডিনিউজ আই ডেস্ক : / ৪৭১ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : রবিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২১
রোববার সকালে শহরের চাষাঢ়ায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ফতুল্লা থানার উদ্যোগে প্রতিবাদ সমাবেশ

বিডি নিউজ আই: নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. ওমর ফারুককে পিস্তলের বাট দিয়ে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী এম সাইফউল্লাহ বাদলের ছোট ছেলে নাজমুল হাসান সাজন আঘাত করে রক্তাক্ত করার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।

৩১ অক্টোবর রোববার সকালে শহরের চাষাঢ়ায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ফতুল্লা থানার উদ্যোগে প্রতিবাদ সমাবেশে ভুক্তভোগী ওমর ফারুক ওই অভিযোগ করেন।

এর আগে ৩০ অক্টোবর রাতে হামলার ঘটনা ঘটে। কাশীপুরের উত্তর নরসিংপুরে হামলাকারীরা হাতপাখার ক্যাম্পে প্রবেশ করে এলোপাথাড়ি মারধর করে রক্তাক্ত করে। পরে আশেপাশের লোকজন আহতদের উদ্ধার করে। রাতে ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা ফতুল্লা মডেল থানায় গিয়ে বিক্ষোভ করে।

জানা গেছে, এবার কাশীপুর ইউনিয়নে হেভিয়েট প্রার্থী ছিলেন মোমেন সিকদার যিনি সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন। তাকে এমপি শামীম ওসমান এবার নির্বাচন থেকে বসিয়ে দেন। পরে বাদলের গলার কাটা হয়ে দাঁড়ান ফটো সাংবাদিক রাশেদুল ইসলাম। তিনি মনোনয়ন পত্র সংগ্রহের পর রীতিমত রাতের ঘুম হারাম হয়ে যায় বিনা ভোটের চেয়ারম্যান বাদলের। চাররাত নির্ঘুমের পর আশেপাশের লোকজনের মধ্যস্থতায় নির্বাচন থেকে সরে আসেন রাশেদ। কিন্তু তবুও চিন্তা দূর হয়নি। বাদল চেয়েছিলেন ভোটে কেউ না থাকুক গত নির্বাচনের মত। কিন্তু বাধ সাধেন ইসলামী আন্দোলনের ওমর ফারুক। হুমকি চাপের পরেও তিনি নির্বাচন থেকে সরেনি।

এদিকে রাতে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা ফতুল্লা মডেল থানায় গিয়ে বিক্ষোভ দেখায়। পরে পুলিশ সুষ্ঠু বিচারের আশা দিলে লোকজন চলে আসেন।

আহত ওমর ফারুক বলেন, ‘আমি শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে কাশিপুর ইউনিয়নের উত্তর নরসিংপুর নিজ বাড়ির সামনে নির্বাচনী ক্যাম্পে বসে স্থানীয় ৫ থেকে ৭জন মুরব্বীদের সঙ্গে কথা বলছিলাম। ওইসময় আওয়ামীলীগের মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এম সাইফউল্লাহ বাদলের ছেলে সাজন শতাধিক মোটরসাইকেলে তার অনুগামীদের নিয়ে এসে আমার ক্যাম্পে অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় সাজন আমাকে পিস্তলের বাট দিয়ে মাথায় আঘাত করে। পরে তার সহযোগিরা আমাকে মারধর শুরু করে। আমাকে হত্যা করার পরিকল্পনা ছিল তাদের। মারধর করে ফেলে রেখে চলে যাওয়ার পর স্থানীয়রা এসে আমাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমি শেষ পর্যন্ত নির্বাচন থাকবো। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। হামলাকারী সাজন সহ তার সহযোগিদের গ্রেপ্তার করে বিচারের মাধ্যমে কঠোর শাস্তি দেওয়া হোক।’

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..