• মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
শূন্য থেকে শিখরে স্বপ্ন দেখার সাহস নিয়ে এক স্বপ্নবাজ সেলসম্যান না.গঞ্জ সদরে উত্তম কৃষি চর্চা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত অসহায়দের মাঝে ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ আন্তর্জাতিক নারী দিবস -২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে উদ্যোক্তা মেলা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জ জার্নালিস্ট ইউনিটি’র দোয়া ও ইফতার মাহফিল সিদ্ধিরগঞ্জে প্রতিবন্ধী ব্যাক্তি ও অসহায় পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ বহু ভাষাবিদ কবি মাহমুদুল হাসান নিজামী আর নেই লাঙ্গলবন্দে মহাঅষ্টমী পূণ্যস্নান উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত না’গঞ্জ জেলা প্রশাসক মোঃ রায়হান কবির এর সাথে নারায়ণগঞ্জ জার্নালিস্ট ইউনিটি’র সৌজন্য সাক্ষাতে সম্মাননা স্মারক প্রদান ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তি হবে জনগণঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সিদ্ধিরগঞ্জে ভূমিদস্যু জাকির গংদের সরকারি “ক” খতিয়ানের জমি বালু ভরাটে দখলের পায়তারা

নিজস্ব সংবাদদাতা / ৩৯৩ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

নারায়ণগঞ্জ জেলা সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন গোদনাইল মৌজাস্থ ভূইয়াপাড়া এলাকার সি,এস খতিয়ান নং-১০ ও এস,এ খতিয়ান নং- ৯ যাহার সি,এস ও এস,এ দাগ নং ১১৭১ এবং আর, এস খতিয়ান নং- ৫১৮ ও ১৩৩৮ এবং যাহার দাগ নং ৩৩৫৬ ও ৩৩৬৮। জমির মোট পরিমান ১২৬ শতাংশ। উক্ত দাগের ৩২ শতাংশ রেলওয়ে নিয়ে যায় এবং বাকি সম্পত্তি হতে সরকার রিফিউজি হিসেবে কয়েকটি পরিবারকে ১৫ শতাংশ দান করেন। সেই সাথে ৫টি পরিবারকে ৪৫ শতাংশ জমি লীজদান করেন কৃষি আবাদের জন্য।

কিন্তু আর, এস খতিয়ান নং-৫১৮ ও ১৩৩৮ যাহার দাগ নং – ৩৩৫৬ ও ৩৩৬৮। দুটি খতিয়ান এবং দাগে সরকারি তফসিল ভূক্ত “ক” খতিয়ানের আওতাভুক্ত হলেও উক্ত জমি হতে ১৫ ও ১৯ শতাংশ জমি দুজন ব্যক্তির নামে নামজারি হয়। তাই অনেকের মনে সন্দেহের প্রশ্ন জন্মনেয় ” ক ” তফসিল ভুক্ত জমি কি ভাবে নামজারী হলো? এ বিষয়টি নিয়ে গুঞ্জন চলছে এলাকাজুড়ে।

এলাকাবাসীর দাবী এই বিষয়টি নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক যেনো তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এবং সরকারি মালিকানাধীন সম্পত্তি যাহারা অবৈধভাবে অনুমতিহীন ড্রেজারের মাধ্যমে ভরাটের প্রস্তুতি নিচ্ছেন সেই সকল ভূমিদস্যুদের হাত থেকে রক্ষা করে নিজস্ব তত্তাবধানে রক্ষণাবেক্ষণের।

চৌধুরী বাড়ী ভূইয়া পাড়া এলাকার মৃত জয়নাল আবেদীন এর স্ত্রী রিজিয়া বেগম এর সন্তান আয়নাল শেখের (৬৫) নিকট থেকে কথাবলে জানাযায় যে, তাহার মাতা রিজয়া বেগম, মোহাম্মদ হোসেন,নিজামউদ্দিন, সাদেক ও ফাতেমা বেগম এই ৫ ব্যক্তি উক্ত দাগ হইতে দীর্ঘ বছর আগে ৪৫ শতাংশ লীজ প্রাপ্ত হন। কিন্তু সম্প্রতি মিছির আলীর পুত্র জাকির কন্টেকটার( ৫৫)
সম্প্রতি এই সরকারি জমির ১৫ শতাংশ জমি সরকারি ভূমি অফিসের লোকজন, পার্শ্ববর্তী সীমানার বসতি ও যারা লীজপ্রাপ্ত রযেছেন তাদের না জানিয়ে বা তাদের অনুপস্থিতিতে জাকির কন্টেকটার তার ভূমিদস্যু একটি সংঘবদ্ধ বাহিনী নিয়ে সরকারি “ক” তফসিল ও রেলওয়ের জমির সিমানা নির্ধারণ না করে জমিতে মাপজপ করে তার নমে ১৫ শতাংশ জমির একটি সাইনবোর্ড স্হাপন করেন এবং বাঁশ দিয়ে আড়গাড়া দিয়ে বালু ভরাটের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে । তারা আরো বলেন, এখানে সরকারি স্বার্থ থাকায় আমরা গণমাধ্যমের মাধ্যমে সরকারি ভূমি অফিসের উর্ধতন কর্মকর্তা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের নিকট দাবি জানাই ভূমি দস্যুদের হাত থেকে সরকারি সম্পত্তি রক্ষা করার। সেই সাথে দাবি রাখি এই ভূমিদস্যু চক্র আমাদের লীজ কৃত সম্পত্তি হতে আমাদেরকে বেদখলের পরিকল্পনা করছেন তাহা যেনো করতে না পারে তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..