• সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২১ পূর্বাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
সোনারগাঁয়ের ঐতিহ্য ও প্রত্নস্থল পরিদর্শনে দিনব্যাপী রোড-শো নারায়ণগঞ্জের বাতিঘর: বহুমাত্রিক গুণের অধিকারী অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুম ফতুল্লায় জামিনে এসে ফের বেপরোয়া ছাত্রলীগ নেতা শুভ ও শিমুলের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর অভিযোগ একজন কিংবদন্তি ও এক অনন্য ভালোবাসার নাম লিওনেল মেসি -সুমন চৌধুরী চট্টগ্রামে প্রথমবার জেলা প্রশাসকের হাতে মহালয়ার উদ্বোধন এড. এবি সিদ্দিক-এর নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জ জার্নালিস্ট ইউনিটি’র সন্মাননা স্মারক প্রদান সমমনা ৪১তম সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত কবি-সাংবাদিক এনামুল হক প্রিন্সের স্মরণে নারায়ণগঞ্জে স্মরণসভা ও দোয়া “শিশুর ভবিষ্যৎ হোক সুরক্ষিত” – নারায়ণগঞ্জে শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন নারায়ণগঞ্জে বিশ্ব দৃষ্টি দিবস পালিত

বন্দরে সড়কে সড়কে জণদুর্ভোগে

বিডিনিউজ আই ডেস্ক : / ৪৬০ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ২২ জুন, ২০২১

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে সংস্কারের অভাবে সড়কগুলো বেহাল অবস্থায় রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই সংস্কার না হওয়ায় এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে প্রতিদিনই সড়কে চলাচলে বেগ পেতে হচ্ছে জনসাধারণের।

সোমবার (২১ জুন) সকালে সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, বন্দর কাইকারটেক ব্রীজ সংলঘ্ন মুছাপুর ইউনিয়নস্থ চরইসলাম পুর ভঙ্গুর সড়কটিতে খুবই নাজুক অবস্থা। বর্ষায় বৃষ্টির পানিতে কাদামাটি ও পানিতে মাখামাখি হয়ে রাস্তাজুড়ে অসংখ্য ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে উঠেছে এ সড়কটি। ফলে দুর্ভোগ বেড়েছে যাত্রী সাধারণ ও স্থানীয়দের।

অপরদিকে ধামগড় ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে কাজী পাড়া থেকে হালুয়া পাড়া সড়কটি এখন ছোট বন্যায় পরিণত হয়েছে। প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনাও ঘটেছে বলে জানান যাত্রীসহ সাধারণ বাসিন্দারা। ৫টি উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে এলজিইডির অধিকাংশ সড়কের এমন বেহাল অবস্থা।

মদনপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের চানপুর থেকে সাহেব বাড়ী পর্যন্ত রাস্তায় ছোট ছোট গর্ত রয়েছে। সড়কটিতে কোন যানবাহন সহজে যেতে চায়না। গেলেও অতিরিক্ত ভাড়া গুণতে হচ্ছে ওই পথে চলাচলরত সাধারণ যাত্রীদের।

কলাগাছিয়া ইউনিয়নের ফরাজীকান্দা থেকে কলাগাছিয়া বাজার পর্যন্ত সড়কগুলো যেন ভুতুরে রাস্তায় পরিনত হয়েছে। দূভোর্গের কোন অন্ত নাই। যানবাহন চলাচলে প্রায় সময় দূর্ঘটনায় পতিত হচ্ছে পথচারীরা।

বন্দর ইউনিয়নের কলাবাগ থেকে চিনার্দী রাস্তাটি ওই এলাকার মানুষের অভিশাপে পরিনত ছিল। কিছুদিন আগে ওই রাস্তাটির কাজ ধরলেও মন্থর গতিতে চলছে নির্মান কাজ। আবার মাঝে মাঝে বন্ধ থাকতেও দেখা যায়।

স্থানীয় এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এখন ইউনিয়নের রাস্তা দিয়ে পশু যেতেও ভয় পায়। দীর্ঘদিন ধরে ভাঙ্গা রাস্তায় চলাচল করতে করতে হাপিয়ে উঠেছি। মনে হয় আদিম যুগে এখনও আছি। জনপ্রতিনিধিদের বলে কোন লাভ হয় না। তাই আর বলিনা। অথচ আমাদের এমপি একজন দানবীর মানুষ। ব্যবসায়ী নেতা। অথচ তার নির্বাচনী এলাকার রাস্তাগুলি এমন নাকাল অবস্থা। দুঃখ লাগে। আর সিটি এলাকার রাস্তাগুলি দেখলে মনটা জুড়িয়ে যায়। মনে হয় ইউরোপে আছি। ইউনিয়নবাসীদের লোকানো কান্নার দিন কবে শেষ হবে। কবে এমপি মহোদয় আমাদের দূর্ভোগ লাঘবে এগিয়ে আসবে। আমি এমপি মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষের প্রতিক্ষায় রইলাম।

এদিকে বন্দর উপজেলা এলজিইডির উপ-প্রকৌশলী কামরুজ্জামান বলেন, গ্রামীণ এসব সড়ক সংস্কারের যে চাহিদা রয়েছে এর তুলনায় সরকারের বরাদ্দ অনেক কম হওয়ায় দূর্ভোগের স্বীকার হচ্ছেন মানুষ। গত অর্থবছরে বন্দর উপজেলার ৮টি রাস্তা সংস্কারের টেন্ডার জমা পড়েছিল। এরমধ্যে ১টি পাশ হয়েছে। বাকি ৭টি রাস্তা সংস্কারের ফাইল আসেনি। প্রক্রিয়াধীণ রয়েছে। তবে পর্যায়ক্রমে আসবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..