শুধু অনিয়মই নয়, মহিদুর রহমান পরিচালিত বিভিন্ন আর্থিক ও বিনিয়োগ কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে উচ্চ মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। এতে বহু গ্রাহক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন।
তথ্য সূত্রে জানা যায়, “প্রবাসী পল্লী” প্রকল্পে বিনিয়োগের নামে দীর্ঘদিন ধরে নানা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও অনেক বিনিয়োগকারী এখনো তাদের অর্থ ফেরত পাননি। এ পরিস্থিতিতে গ্রাহকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
ক্ষতিগ্রস্তদের একজন হারুন সরকার প্রতিকার চেয়ে মাধবদী থানা–এ একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে।
অভিযোগে বলা হয়, প্রায় এক বছর আগে নরসিংদীর মাধবদী এলাকার কান্দাইল মৌজার প্রায় পাঁচ একর জমি রাতের আঁধারে দখল করে সেখানে বালু ভরাট করা হয়। পরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি জমিতে পাকা দেয়াল নির্মাণের চেষ্টা করলে স্থানীয়রা বাধা দেন। এ সময় মহিদুর রহমানের লোকজন হামলা, মারধর ও হত্যার হুমকি দেয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া অভিযোগকারীদের দাবি, মামলা প্রত্যাহার এবং জমি প্রবাসী পল্লীর নামে লিখে দিতে চাপ প্রয়োগ করা হয়। অন্যথায় প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে। পরবর্তীতে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হলে জমির মালিকরা এখনো তাদের ফসলি জমি বা জমির মূল্য ফেরত পাননি বলে দাবি করেন।
এদিকে মহিদুর রহমান–এর বিরুদ্ধে নরসিংদী সদর সিনিয়র সহকারী জজ আদালত–এও অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে মো. কামাল হোসেন বলেন, “একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য মহিদুর রহমানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
ভুক্তভোগীদের দাবি, সরকারি উদ্যোগে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষায় দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...