• মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
৯টা–৫টার দায়িত্বে সমাজ বদলাবে না: ডিসি জাহিদ ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে জেলাবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শান্তি ও সম্প্রীতির পথে চলার আহ্বান এসপি মিজানুর রহমান মুন্সির ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষ্যে মহানবীর (সা.) আদর্শে হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে শান্তিপূর্ণ নারায়ণগঞ্জ গড়ার আহ্বান ডিসি রায়হান কবিরের ফুলেল শুভেচ্ছা,দোয়া ও সাংবাদিকদের মিলনমেলায় অনুষ্ঠিত হলো জান্নাতের ৯ম জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা-২০২৬’ আয়োজন উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির প্রস্তুতিমূলক সভা নারায়ণগঞ্জ সদরে দিনব্যাপি কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ফাতেমা তুজ জোহরা জান্নাতের ৯ম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া প্রার্থনা না:গঞ্জ সিভিল সার্জন ওএসডি হলেও ডা. আতিকুল বারী ও ডা.মোঃ আমিনুল বহাল তবিয়তে নতুন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থকে এনপিজেএ’র শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন নারায়ণগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে হেলথ ক্যাম্প ও পোষ্য প্রাণী প্রদর্শনী

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ৬ আসামীর মৃত্যুদন্ড

বিডিনিউজ আই ডেস্ক : / ৭২৫ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বৃহস্পতিবার, ২৮ জুলাই, ২০২২

বিডি নিউজ আই, ঢাকা: মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় খুলনার বটিয়াঘাটার ছয়জনের মৃত্যুদন্ড দিয়ে আজ রায় ঘোষণা করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল আজ এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর সদস্যরা হলেন-বিচারপতি আবু আহমেদ জমাদার ও বিচারপতি কেএম হফিজুল আলম।
দন্ডপ্রাপ্ত ছয় আসামি হলেন- আমজাদ হোসেন হাওলাদার, সহর আলী সরদার, আতিয়ার রহমান, মোতাছিম বিল্লাহ, কামাল উদ্দিন গোলদার ও নজরুল ইসলাম। এর মধ্যে নজরুল ইসলাম পলাতক। কারাগারে থাকা ৫ আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
এটি মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ৪৮ তম রায়।
এর আগে গত ২২ মে খুলনার বটিয়াঘাটায় এ ছয়জনের বিরুদ্ধে রায় যে কোন দিন (সিএভি) ঘোষণার জন্য রেখে আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।
প্রসিকিউটর সাবিনা ইয়াসমিন খান মুন্নি রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণে সক্ষম হয়েছে প্রসিকিউশন। তিনি বলেন, এই মামলায় প্রাথমিকভাবে মোট আটজন আসামি থাকলেও একজন মারা গেছেন। ফলে তাকে বাদ দিয়ে বাকি সাতজনের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।
ট্রাইব্যুনালের তদন্তকারী কর্মকর্তা অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হেলালউদ্দিনসহ মোট ১৭ জন সাক্ষী তাদের জবানবন্দি পেশ করেন। তাদের মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করার পর মামলার আইও’র জেরার কার্যক্রম শুরু হয়।
২০১৫ সালের ১৫ নভেম্বর মামলার তদন্ত শুরু হয়। ২০১৭ সালের ৮ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে সাত ভলিউমের ১ হাজার ২৭ পাতার প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালে জমা দেয়া হয়।
এর মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখিত চারটি অপরাধেই অভিযোগ রয়েছে আসামি আমজাদ হোসেন হাওলাদারের বিরুদ্ধে। প্রতিবেদনে বলা হয়, তিনি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে কনভেনশন মুসলিম লীগ এবং পরে জামায়াতের সমর্থক ছিলেন। অন্য ছয় আসামিও মুক্তিযুদ্ধকালে কনভেনশন মুসলিম লীগ এবং জামায়াতের সমর্থক ছিলেন।
আসামিদের বিরুদ্ধে প্রথম অভিযোগ: ১৯৭১ সালের ১০ আগস্ট আমজাদ হোসেন হাওলাদারসহ চার-পাঁচজন রাজাকার বটিয়াঘাটার মাছালিয়া গ্রামের শান্তি লতা মন্ডলের বাড়িতে হামলা চালিয়ে বিনোদ মন্ডলকে অবৈধভাবে আটক-নির্যাতন, অপহরণ ও গুলি করে হত্যা করেন।
দ্বিতীয় অভিযোগ: ১৯৭১ সালের ১৫ অক্টোবর বটিয়াঘাটার পূর্বহালিয়া গ্রামের চাপরাশী বাড়িতে হামলা চালিয়ে নিরস্ত্র হরিদাস মজুমদারকে আটক, নির্যাতন ও গুলি করে হত্যা করেন আসামিরা।
তৃতীয় অভিযোগ: মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ২১ অক্টোবর হিন্দু সম্প্রদায়কে নিশ্চিহ্ন করতে বটিয়াঘাটার সুখদাড়া গ্রামে হামলা চালিয়ে নিরীহ নিরস্ত্র হিন্দু সম্প্রদায়ের চারজনকে হত্যা, চার-ছয়টি বাড়ির মালামাল লুট এবং অগ্নিসংযোগ করে।
চতুর্থ অভিযোগ: ’৭১ এর ২৯ নভেম্বরে এই আসামিরা বটিয়াঘাটার বারোআড়িয়া গ্রামে হামলা চালিয়ে মুক্তিযোদ্ধা জ্যোতিষ মন্ডল এবং আব্দুল আজিজকে গুলি করে হত্যা করে।(বাসস)

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..