• শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
নারায়ণগঞ্জে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হলো শারদীয় দুর্গোৎসব,সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানালেন ডিসি মো: রায়হান কবির ধর্মের শিক্ষা শুধু উৎসবে নয়, প্রতিফলিত হোক কর্মেও: ডিসি জাহিদ নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ও ৫ নম্বর ঘাট বিসর্জনস্থল পরিদর্শন করেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ফতুল্লায় স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে স্বামীকে মারধরের অভিযোগ নারায়ণগঞ্জে ২৪০ মণ্ডপে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর দুর্গোৎসবঃ বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার ফতুল্লায় প্রবাসীর বাড়িতে ঢুকে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, স্ত্রী-সন্তানকে প্রাণনাশের হুমকি শারদীয় দুর্গোৎসবে না’গঞ্জের বিভিন্ন পূজা মন্ডপে মহিলা পরিষদ’র শুভেচ্ছা বার্তা প্রদান নারায়ণগঞ্জে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে পুলিশের মতবিনিময় সভায় ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কবি ও সাংবাদিক সাব্বির আহমেদ সেন্টুর জন্মদিন উদযাপন করলো নারায়ণগঞ্জ জার্নালিস্ট ইউনিটি ২০ অক্টোবর মুক্তি পাচ্ছে দিপু হকের প্রতিবাদী গান ‘ধর্ষিতা রাষ্ট্র’

অল্প সময়ে সর্বমহলে প্রশংসিত নারায়ণগঞ্জের এসপি হাবিবুর রহমান

এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ / ১৫৩ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নারায়ণগঞ্জবাসীর ধারণা ছিল অন্যান্য পুলিশ সুপারের মতো নবাগত এসপিও জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বুঝতে ও নারায়ণগঞ্জ সম্পর্কে ধারণা নিতে কয়েক সপ্তাহ সময় নেবেন। কিন্তু বাস্তবে তার পুরো ব্যতিক্রম দেখালেন নবাগত পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান, পিপিএম-সেবা। যোগদানের দিন থেকেই মাদক, কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজি ও সকল প্রকার অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে সফল অব্যাহত অভিযানের ফলে তিনি ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন।

মাত্র ২৫ দিনে দেড় হাজারেরও বেশি বিভিন্ন অপরাধে অপরাধীকে গ্রেফতার করে জেলাজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন এই চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা। অতীতে এত অল্প সময়ে নারায়ণগঞ্জে কোনো পুলিশ সুপার এভাবে সর্বমহলে প্রশংসিত এবং পুলিশের প্রতি আস্থা তৈরি করতে পারেননি।

পুলিশ সুপারের মতে, মাদকই সকল অপরাধের মূল। নারায়ণগঞ্জকে মাদকমুক্ত করতে পারলে অপরাধ অনেকাংশে কমে যাবে। সেই লক্ষ্যে তিনি সর্বোচ্চ অভিযান পরিচালনা করছেন মাদকের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতি, জুয়া ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে তার ধারাবাহিক সফল অভিযানে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজ ও সাধারণ মানুষের কাছে তিনি এখন আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।

তিনি কাজে বিশ্বাসী, কথায় নয়। যোগদানের পর থেকেই সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও দক্ষতা দিয়ে নারায়ণগঞ্জকে শান্তিপূর্ণ জেলায় রূপান্তরিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। জেলা পুলিশের সকল স্তরের কর্মকর্তা ও সদস্যদের তিনি কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে জনবান্ধব পুলিশিং নিশ্চিত করার জন্য। তার কঠোর নির্দেশনায় জেলাজুড়ে সর্বমহলের কাছে পুলিশের ভাবমূর্তি এখন অনেক উজ্জ্বল।

৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে পুলিশের যে ভাবমূর্তি সংকট তৈরি হয়েছিল, বর্তমান পুলিশ সুপারের কঠোর অভিযানে তা দ্রুত কাটতে শুরু করেছে। কিছুদিন আগেও চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিসহ যে কোনো অপরাধীকে গ্রেফতার করতে গেলে তারা পুলিশের ওপর হামলা চালাতো, পুলিশকে তোয়াক্কা করতো না। কিন্তু বর্তমান এসপির যোগদানের পর সেই চিত্র পুরোপুরি পাল্টে গেছে। এখন অপরাধীরা পুলিশকে ভয় পেতে শুরু করেছে। নির্ভরযোগ্য সূত্র বলছে, তার কঠোরতায় অনেক চিহ্নিত মাদক ডিলার ও শীর্ষ অপরাধী নারায়ণগঞ্জ ছেড়ে পালিয়ে গেছে।

তার কর্মদক্ষতা ও সফল অভিযানের কারণে ইতোমধ্যে নারায়ণগঞ্জের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, রাজনৈতিক, সামাজিক ও নাগরিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এসে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং তার চলমান কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, নারায়ণগঞ্জ বাংলাদেশের বৃহৎ শিল্পাঞ্চল। তাই ব্যবসায়ীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেওয়া জেলা পুলিশের গুরুদায়িত্ব। নারায়ণগঞ্জের সকল নাগরিককে শান্তিতে রাখা আমাদের প্রধান কাজ। আমরা নারায়ণগঞ্জবাসীকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিয়ে শান্তিতে রাখার চেষ্টা করছি।নারায়ণগঞ্জের সকল প্রকার অপরাধ দমনে সকলের সহযোগিতা কামনা করি।

নারায়ণগঞ্জের দীর্ঘদিনের সমস্যা যানজট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জের অন্যতম একটি সমস্যা যানজট। এই যানজট আমার একার পক্ষে পুরোপুরি নিরসন করা সম্ভব নয়। যতটুকু সম্ভব তা আমি করছি। আমি ট্রাফিক বিভাগকে সর্বোচ্চ নির্দেশনা দিয়েছি যান চলাচলে শৃঙ্খলা আনয়ন এবং সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করার জন্য। এতে অনেকটাই যানজট নিরসন হয়েছে। পুরোপুরি যানজট নিরসনে আমরা জেলা প্রশাসন, সিটি কর্পোরেশন ও সংশ্লিষ্ট সকল মহলের সাথে বৈঠক করে সমন্বিত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরিকল্পনা করেছি।

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ধর্ম যার যার, উৎসব সবার — এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে দুর্গোৎসব যাতে কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হয়, সেজন্য পুলিশ প্রশাসনকে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশ সদা প্রস্তুত।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..