শনিবার, ১৯ জুন ২০২১, ০৭:১৭ অপরাহ্ন

একটি গভীর নলকূপ ১৩ কোটি টাকা!

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনে এলাকায় ২ টি সহ কক্সবাজার পৌরসভা ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে ৯টি গভীর নলকূপ বসানো ও পানি সরবরাহে ব্যয় ধরা হয়েছে ১২০ কোটি টাকা। এতে একেকটি গভীর নলকূপের পেছনে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩ কোটি ১৩ লাখ টাকা। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) ‘আরবান ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড সিটি গভর্ন্যান্স’ নামের একটি প্রকল্পে এমন ব্যয়ে পরিকল্পনা কমিশন বিস্ময় প্রকাশ করেছে। এ নিয়ে কমিশন প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি এ রকম খরচের প্রস্তাবকে ‘অস্বাভাবিক’ বলে উল্লেখ করেছে। প্রকল্পটির আওতায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন এলাকায় ৬৩০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি রেলওয়ে ওভারপাস ও ৮০০ মিটারের একটি উড়ালসড়ক নির্মাণ করা হবে।
পরিকল্পনা কমিশন থেকে প্রস্তাব ফেরত এ প্রকল্পে সেতু, ওভারপাস ও উড়ালসড়ক নির্মাণ, সফটওয়্যার তৈরি এবং পরামর্শক ব্যয়ও বেশি ধরা হয়েছে বলছে কমিশন। এলজিইডির কর্মকর্তারা বলছেন তাঁরা যে ব্যয় ধরেছেন, তা অনুমাননির্ভর ও সাময়িক। দরপত্র আহ্বানের সময় খরচ কমতে পারে।
এলজিইডি’র এ প্রকল্পে নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এবং কক্সবাজার পৌরসভায় অবকাঠামো উন্নয়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৪৪৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) ঋণ দেবে ২ হাজার ২১৫ কোটি টাকা। বাকি ১ হাজার ২৩২ কোটি টাকা সরকার বহন করবে। প্রকল্পটির আওতায় কক্সবাজার পৌরসভায় পাঁচটি আর কুমিল্লা ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে দুটি করে গভীর নলকূপ বসানো ও পানি সরবরাহে ১২০ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব করেছে এলজিইডি। আছে ১৯৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬ কিমি সড়ক নির্মাণ, ১৫২ কোটি টাকা ব্যয়ে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন ও কক্সবাজার পৌরসভায় দুটি বাস টার্মিনালের সম্প্রসারণ ও নতুন আরেকটি নির্মাণ, সফটওয়্যার তৈরি, ৩৭৩ কোটি টাকা পরামর্শক ফি।
এই প্রকল্পের অন্যান্য কর্মকান্ডের ব্যয় এ রকম: ভূমি অধিগ্রহণ ৫৪৬ কোটি, প্রকৌশল ও যন্ত্রপাতি ৫২২ কোটি, পানিনিষ্কাশন ড্রেন নির্মাণ ৩৬০ কোটি, জমি ভরাটসহ কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ৩১৬ কোটি, স্ট্রিট লাইট বা সড়কবাতি ৭১ কোটি, শেড ও খেলার মাঠ ৫০ কোটি এবং আউটসোর্সিং ৬০ কোটি টাকা।

নিউজটি শেয়ার করুন...

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


© All rights reserved © 2020 bdnewseye.com
Developed BY M HOST BD