• সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১:১৩ পূর্বাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
ফতুল্লার ডিআইটি মাঠে কোরবানির পশুর হাট পরিদর্শনে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মান্নান মিয়া ঈদকে সামনে রেখে হাট-বাজার ও বসতবাড়ির নিরাপত্তায় থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী: ডিসি রায়হান কবির ডিসি জাহিদের দেওয়া হুইলচেয়ারে বদলে গেল প্রতিবন্ধী শওকতের জীবন আমেরিকার সমাজ-সংস্কৃতির অপরিহার্য অংশ হবে বাঙালিরা: নিউইয়র্ক বইমেলায় রেহমান সোবহান প্রবাসী পল্লী আবাসন প্রকল্পের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও প্রতারণার অভিযোগ নারায়ণগঞ্জে ড্যাব’র মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি আমেরিকান প্রেস ক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিনের সদস্য পদ অর্জনে এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ’কে এনজেইউ’র ফুলেল শুভেচ্ছা ছয় মাসের সাফল্য-চ্যালেঞ্জের খতিয়ান নিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি চট্টগ্রামের ডিসি জাহিদ নারায়ণগঞ্জ সদরে এবার কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই হাটের ইজারা সম্পন্ন, প্রশংসিত ইউএনও ফয়েজ উদ্দিন নারায়ণগঞ্জে গ্রাম আদালতের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

খুনের বদলে খুন

বিডিনিউজ আই ডেস্ক : / ২৯১ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : রবিবার, ৩১ জুলাই, ২০২২

বিডি নিউজ আই, নারায়ণগঞ্জ: একই এলাকায় খুন হয়ে ছিল ইমন নামের এক হোসিয়ারী শ্রমিক। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আসামী ছিলেন মেহেদী হাসান। মাত্র ১ বছর ১০ দিনের ব্যবধানে ৩০ জুলাই রাতে সেই মেহেদী হাসানও খুন হয়েছে।

নিহতের স্বজন ও পুলিশের ধারণা, ‘সেই খুনের বদলে খুন করা হতে পারে মেহেদী হাসানকে।’

ফতুল্লা মডেল থানার দেওভোগ মাদ্রাসার শেষ মাথার মিয়াপাড়া সংলগ্ন হাজীর বাগ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এলাকাবাসীর মাঝেও।

খুনের শিকার ২৩ বছর বয়সী মেহেদী হাসান দেওভোগ শেষ মাথা মিয়াপাড়া এলাকার শফিকুল ইসলামের ছেলে।

আধিপত্য বিস্তার করাকে কেন্দ্র‍ করে ওমর ফারুকের সাথে ২০২১ সালে দ্বন্দ্ব তৈরি হয় বলে জানা গেছে আব্দুল্লাহ-ডেবিড ও তাদের অনুসারীদের মাঝে। সেই সময় দুই পক্ষের মধ্যে একাধিকবার মারামারির ঘটনাও ঘটে ছিল। জানা গেছে, ২০২১ সালের ১৭ জুলাই আব্দুল্লাহকে পশ্চিম দেওভোগ এলাকায় মারপিট ছিল ওমর ফারুক। সেই রাতেই ওমর ফারুককে খুঁজতে ডেবিড-আব্দুল্লাহ দুই ভাই। এ সময় ওমর ফারুককে না পেয়ে তাঁর ভাই ইমনের উপর হামলা করেন। ছুরিকাঘাতে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই মারা যান ইমন (২৩)।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত করা হয় মেহেদী হাসানকেও। পুলিশ তদন্ত শেষে মেহেদী হাসানকে আসামী করে চাটশিট দিয়েছিল আদালতে। চলতি বছরের ৩০ জুলাই রাত সাড়ে ১১টায় সেই একই এলাকায় মেহেদী হাসানকে ছুরিকাঘাত করে হত্যাকরে দুর্বৃত্তরা।

ঘটনার পরপর নিহতের বোন দোলন জানান, ওমর, রোমান, সবুজ ও মাইকেল নামের যুবকদের সাথে দ্বন্দ্ব ছিল মেহেদী হাসানের।

ঘটনাস্থলে যাওয়া ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের উপপরিদর্শক আবু হানিফ জানায়, পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে রোববার রাত দশটার দিকে নিহত মেহেদী হাসানকে হত্যা করে পালিয়ে যায় ঘাতক চক্র। হত্যাকান্ডের মিশনে অংশ নেওয়া ঘাতকদের চিন্থিত সহ গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে পুলিশ।

এ ঘটনায় রাতেই পুলিশ প্রতক্ষ্যদর্শী এক চা দোকানীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে এসেছে। মামলার তদন্তের স্বার্থে নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক পুলিশ।

ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (ওসি) মোহাম্মদ রিজাউল হক জানান, ‘মেহেদী হাসান খুনের ঘটনায় বেশ কয়েক জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মেহেদী হাসানও ইমন হত্যা মামলার চার্জসীটভুক্ত আসামী ছিলেন। ধারণা করা হয়েছে, ইমন হত্যাকাণ্ডের সাথে নিহত মেহেদী হাসানকে খুনের ঘটনায় যোগসূত্র রয়েছে। হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।’

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..