বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ০২:২৩ পূর্বাহ্ন

জয়পুরহাটে ২৪৩টি ঈদগাহে হবে নামাজ : প্রথম জামাত সকাল ৭ টায়

বিডি নিউজ আই, জয়পুরহাট: জেলায় এবার ২৪৩টি ঈদগাহে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করা হবে। মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আযহা উদযাপনের জন্য জেলায় স্বাস্থ্যবিধি পালনসহ কয়েক দফা নির্দেশনা পালনের নিমিত্তে প্রস্তুতির কাজ চলছে। যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগা¤ী¢র্যের মধ্য দিয়ে ঈদগাহে ঈদগাহে আগামী ১০ জুলাই রবিবার ঈদুল আযহার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।
করোনা প্রাদূর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় ধর্ম মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী জয়পুরহাটে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে কেন্দ্রীয় ঈদগাহে। এখানে দুটি জামাত সকাল ৭ টায় প্রথম এবং ৮ টায় দ্বিতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হবে। জয়পুরহাট চিনিকল জামে মসজিদে সকাল ৭ টা ও ৮ টায় দু’টি জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
এ ছাড়াও কালেক্টরেট ঈদগাহে, কাশিয়াবাড়ী ঈদগাহে, তালীমূল ইসলাম একাডেমি স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে, পুলিশ লাইনস মাঠে, খনজনপুর খানকা শরীফ মসজিদ মাঠে, রামদেও বাজলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় আহলে হাদিস মসজিদ মাঠে , তেঁতুলতলী , হাতিল বুলুপাড়া, করিমনগর লালবাজার ঈদগাহে ও করিমনগর লালবাজার ঈদগাহসহ জেলার পাঁচ উপজেলাতে মোট ২৪৩ টি মসজিদ ও ঈদগাহে এবার ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ন পরিবেশে ঈদ উৎসব উদযাপনের জন্য ১৭ দফা নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে বলে জানান, পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে সুর্যোদয়ের সাথে সাথে সকল সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও ভবনে সঠিক মাফ ও নিয়মে জাতীয় পতাকা উত্তেলন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ঈদ জামাত আয়োজন, পটকা ও আতশবাজি বন্ধ, নির্ধারিত স্থানে পশু কুরবানী করা, সরকারি শিশু পরিবার, জেলখানা ও হাসপাতালে উন্নত খাবার পরিবেশন, ঈদের দিন ও পরবর্তী এক সপ্তাহে তরুণদের বেপরোয়াভাবে মোটর সাইকেল চলাচল রোধ করা, জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য মাইকিং করা সহ পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে আইনশৃংখলা নিয়ন্ত্রণ, যানজট নিরসন, রোগাক্রান্ত পশু ক্রয় বিক্রয় রোধ, চাঁদাবাজি, অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টি সহ জালিয়াত চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা। প্রতিটি ঈদগাহে পর্যাপ্ত হ্যান্ড ওয়াস ও সাবানের ব্যবস্থা রাখারও নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা জানান, জেলায় সুষ্ঠুভাবে ঈদুল আযহা ঊৎযাপনের জন্য আইনশৃংখলা বাহিনীর পক্ষ থেকে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা হিসাবে পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোষাকের পুলিশ ও গোয়েন্দা নজরদারী রাখা হবে। এ ছাড়াও র‌্যাব সদস্যরা সার্বক্ষনিক আইনশৃংখলা তদারকি করবেন । নামাজ শেষে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা আল্লাহর সন্তুষ্টী লাভের আশায় পশু কোরবানী করবেন। নির্ধারিত স্থানে পশু জবাই করা ও ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতায় বিষয়ে পৌরসভার সহযোগিতা নিতে বলা হয়েছে । সীমান্তবর্তী জেলা হিসাবে কুরবানীর পরে চামড়া যেন পাচার হতে না পারে সে জন্য কড়া নজরদারীর ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও জানান পুলিশ সুপার।

নিউজটি শেয়ার করুন...

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


© All rights reserved © 2020 bdnewseye.com
Developed BY M HOST BD