• বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫৮ অপরাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
সকলের সহযোগীতায় যেমন অবৈধ ফুটপাত উচ্ছেদ হয়েছে তেমনি সড়কে যানজট নিরসনে সকলের সহযোগীতা চাই: টিআই করিম আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রেখে পাঁচটি বড় উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ায় সর্বমহলে প্রশংসিত পুলিশ সুপার বাংলাদেশ ছড়া সংসদ এর ৫৩ তম সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত ফতুল্লার কমর আলী স্কুল ও কলেজের আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন নারায়ণগঞ্জে শিক্ষা বৃত্তি ও চিকিৎসা সহায়তায়র আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করলপন ডিসি রায়হান কবির নারায়ণগঞ্জ জার্নালিস্ট ইউনিটি’র(NJU) কার্যকরী কমিটি ঘোষণা শুক্কুর মাহমুদ জুয়েল এর “তুমি যদি না আসো” কাব্যগ্রন্থ’র পাঠ উন্মোচন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ফতুল্লায় গ্রাম আদালত বিষয়ক সচেতনতামূলক র‍্যালি বুবলী যুব কল্যাণ সংস্থার ঈদ পুনমিলনী অনুষ্ঠিত দূষণে বাবুরাইল-কাশীপুর লেক: প্রশাসকের দ্বারস্থ সাংবাদিক রাশেদ

শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আজ

মোঃ আনিসুল হক হীরা / ২১০ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

আজ মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ১৯৫২ সালের এই দিনে মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর গুলিবর্ষণে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ অনেকে শহীদ হন। তাঁদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলার ভাষা-অধিকার।
মাতৃভাষা আন্দোলনের ৭৪ বছর পূর্ণ হলো আজ। রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। একুশের ভোরে কালো ব্যাজ ধারণ করে প্রভাতফেরি সহকারে আজিমপুর কবরস্থানে শহীদদের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও শ্রদ্ধা জানাবে সর্বস্তরের জনতা। দিবাগত রাত ১২ টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। প্রভাতফেরি, আলোচনা সভা, কবিতা পাঠ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দেশব্যাপী দিবসটি পালন করা হচ্ছে। ১৯৯৯ সালে টঘঊঝঈঙ ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। ২০০০ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে ভাষার বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার প্রত্যয়ে। দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণীতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং বাংলা ভাষার সঠিক চর্চা ও ব্যবহারে সকলকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। একুশে ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি। এদিন দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে। ভাষা শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় আজিমপুর কবরস্থানে ফাতেহা পাঠ ও কোরআনখানির আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া দেশের সব মসজিদ, মন্দির ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে। দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরতে বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ সব স্যাটেলাইট চ্যানেল ও গণমাধ্যমে একুশের বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রকাশ করা হবে।
একুশ আমাদের অহংকার, আমাদের প্রেরণা। ভাষার মর্যাদা রক্ষায় আত্মত্যাগের এই ইতিহাস বাঙালি জাতিকে চিরকাল অনুপ্রাণিত করবে।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..