• শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
নারায়ণগঞ্জে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হলো শারদীয় দুর্গোৎসব,সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানালেন ডিসি মো: রায়হান কবির ধর্মের শিক্ষা শুধু উৎসবে নয়, প্রতিফলিত হোক কর্মেও: ডিসি জাহিদ নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ও ৫ নম্বর ঘাট বিসর্জনস্থল পরিদর্শন করেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ফতুল্লায় স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে স্বামীকে মারধরের অভিযোগ নারায়ণগঞ্জে ২৪০ মণ্ডপে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর দুর্গোৎসবঃ বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার ফতুল্লায় প্রবাসীর বাড়িতে ঢুকে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, স্ত্রী-সন্তানকে প্রাণনাশের হুমকি শারদীয় দুর্গোৎসবে না’গঞ্জের বিভিন্ন পূজা মন্ডপে মহিলা পরিষদ’র শুভেচ্ছা বার্তা প্রদান নারায়ণগঞ্জে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে পুলিশের মতবিনিময় সভায় ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কবি ও সাংবাদিক সাব্বির আহমেদ সেন্টুর জন্মদিন উদযাপন করলো নারায়ণগঞ্জ জার্নালিস্ট ইউনিটি ২০ অক্টোবর মুক্তি পাচ্ছে দিপু হকের প্রতিবাদী গান ‘ধর্ষিতা রাষ্ট্র’

জিয়াউর রহমানের ধারক-বাহক হিসেবে আমরা মানুষের সেবা করে যাব: মঈন খান

নিজস্ব সংবাদদাতা / ২০৫ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, তারেক রহমান বাংলাদেশে তৃণমূলের রাজনীতির সূচনা করেছেন। ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সারা বাংলাদেশের হাটে-মাঠে গিয়ে তরুণ সমাজকে সংগঠিত করেছেন তিনি। যার ফলশ্রুতিতে আজকের এই বিএনপি রূপান্তরিত হয়েছে।

আজ বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জিয়া স্মৃতি পাঠাগার ও জাতীয়তাবাদী প্রকাশনা সংস্থার উদ্যেগে আয়োজিত ‘জিয়া স্মৃতি বইমেলা-২০২৬’-এর আজকের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সম্পর্কে বলেন, তিনি তিনটি গুণের ধারক ও বাহক ছিলেন— শৃঙ্খলা, সততা ও জনগনের সেবা। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যদি সাহস করে স্বাধীনতার ঘোষণা না দিতেন, তবে এই বাংলাদেশ স্বাধীন হতো কি না— তা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে। সেই জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদের ধারক-বাহক হিসেবে আমরা মানুষের সেবা করে যাব।
বইয়ের ইতিহাস সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, বইয়ের ইতিহাস খুঁজতে গেলে আমাদের ফিরে যেতে হবে খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ সালে। যখন সর্বপ্রথম পাথর ও কাদার উপর লেখার সৃষ্টি হয়েছে। সেটিই ছিল বইয়ের সৃষ্টির ইতিহাস। সেখান থেকে বই আসলো দ্বিতীয় পর্যায়ে। সেটি হলো খ্রিস্টপূর্ব ৫০০ সালে। এরপর, মিশর, চীন ও রোম— বিশ্বের এই তিনটি স্থানে বইয়ের রূপান্তর হয়েছে। তখন বইয়ের যে রূপ ছিল সেটাকে বলা হয় স্ক্রল। তৃতীয় পর্যায়ের যে বই আমরা দেখি সেটাকে বলা হয় কোডেক্স।

তিনি বলেন, আজকের দিনের এই বইয়ের ধারণা রোম থেকে সৃষ্টি হয়েছে। বইয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রূপান্তর হয়েছে জার্মানীতে। যখন জার্মানীতে ছাপাখানার সৃষ্টি হয়েছে ১৪৪০ সালে। এটি প্রাচীন বইয়ের ইতিহাস। এরপর আসলো ই-বুক এর ধারণা।

তিনি আরও বলেন, যারা নেতৃত্ব দেবেন তাদেরকে নতুন প্রজন্মকে সঠিকভাবে পরিচালিত করতে হবে। নতুন প্রযুক্তির কারণে অনেক বুকশপ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী বলেন, লাইব্রেরি হলো জ্ঞানের সম্ভার। সেই কারণে মঙ্গলরা যখন কোন অঞ্চল জয় করতো তারা সেখানকার সভ্যতা ধ্বংস করার জন্য লাইব্রেরি পুড়িয়ে দিত। মানব সমাজে বইয়ের গুরুত্ব এই ইতিহাস থেকে অনুধাবন করা যাবে।

ড. আবদুল মঈন খান আরও বলেন, পড়ার চর্চা যদি হারিয়ে ফেলা যাবে না। লেখাপড়া ব্যতীত কোন জাতি গৌরব অর্জন করতে পারে না। এই সত্য প্রতিটি মানুষকে বুঝতে হবে।

জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি সৈয়দা ফাতেমা সালামের সভাপতিত্বে ও ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ আমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ও সংসদ সদস্য নিলুফার চৌধুরী প্রমুখ।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..