• শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
হকার, অটোর তাণ্ডব ও অবৈধ পার্কিংয়ে অচল নারায়ণগঞ্জ: যানজট নিরসনে ডিসি-এসপির কঠোর বার্তা নারায়ণগঞ্জে বিশ্ব ফুসফুস দিবস পালিত না’গঞ্জ সদরে কলেরা ভ্যাকসিনের ২য় ডোজ উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা পুলিশ সুপারের সঙ্গে BKMEA, NCCI ও We Are Volunteers-এর সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় রোমানের সুচিকিৎসা ও মামলা থেকে অব্যাহতির দাবিতে ডিসি-এসপিকে স্মারকলিপি নারায়ণগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন নতুন কুঁড়িতে নিবন্ধনে দেশসেরা চট্টগ্রাম তোমাদের শুধু ভালো ছাত্র নয়, ভালো মানুষ হতে হবে : ডিসি রায়হান কবির মাত্র দুই সপ্তাহেই সর্ব মহলে আস্থার প্রতীক: নারায়ণগঞ্জে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান নারায়ণগঞ্জে খাজা সুপার মার্কেটে জুয়ার আসরে পুলিশ সুপারের অভিযান, আটক ২৮

হকার, অটোর তাণ্ডব ও অবৈধ পার্কিংয়ে অচল নারায়ণগঞ্জ: যানজট নিরসনে ডিসি-এসপির কঠোর বার্তা

এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ / ২৫ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে কারা নারায়ণগঞ্জ শহরকে অচল করে রেখেছে। নগরীর ২নং রেলগেটের অবৈধ বাসস্ট্যান্ড, লাখেরও বেশি অবৈধ ব্যাটারিচালিত মিশুক-অটোরিকশা, ফুটপাত দখল করে রাতভর হকারদের তাণ্ডব এবং ৯০ শতাংশ বহুতল ভবনে পার্কিং ব্যবস্থা না থাকায় পুরো শহর এখন যানজটের নগরীতে পরিণত হয়েছে। এতে লাখো মানুষের দৈনিক ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।

জেলাবাসীর অভিযোগ, জেলা প্রশাসন বারবার উচ্ছেদ অভিযান চালালেও একটি সুবিধাবাদী চক্রের কারণে তা টেকসই হচ্ছে না। এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন নগরবাসী।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) সোহেল রানা বলেন, আমরা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান স্যারের নির্দেশনায় যানজট নিরসনে সর্বোচ্চ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছি। অতিরিক্ত অটো-মিশুকের কারণে যানজট পুরোপুরি নিরসন সম্ভব হচ্ছে না। মিশুকের লাইসেন্স মূলত সিটি করপোরেশন দেয়, তবে সেগুলোর কপি বা জালিয়াতি হয়েছে বলে শুনেছি।

জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, নারায়ণগঞ্জের যানজট একটি বহুমাত্রিক সমস্যা। শুধু পুলিশ দিয়ে এটি সমাধান সম্ভব নয়। হকার পুনর্বাসন, অবৈধ অটোর লাইসেন্স যাচাই এবং ভবন মালিকদের পার্কিং নিশ্চিত করতে বাধ্য করতে হবে। আমরা সিটি করপোরেশন, বিআরটিএ ও ব্যবসায়ী নেতাদের নিয়ে শিগগিরই একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান করব এবং অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে কঠোর উচ্ছেদ অভিযান চলবে।

পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, যানজট নিরসন পুলিশের একার কাজ নয়, এটি একটি সম্মিলিত দায়িত্ব। সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায়ই যানজট নিরসন সম্ভব। আমি ট্রাফিক বিভাগকে কঠোর নির্দেশ দিয়েছি, কোনোভাবেই প্রধান সড়কে অবৈধ পার্কিং ও রাস্তায় হকার বসতে দেওয়া যাবে না।

তিনি আরও বলেন, বৃহৎ জনকল্যাণে যানজট নিরসনসহ সকল প্রকার অপরাধমুক্ত করে নারায়ণগঞ্জকে একটি শান্তিপূর্ণ জেলা হিসেবে বাস্তবায়ন করাই আমার লক্ষ্য। নারায়ণগঞ্জ হচ্ছে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান শিল্পাঞ্চল। এখানে প্রতিদিন হাজার হাজার শ্রমিক, ব্যবসায়ী ও রপ্তানিমুখী পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল করে। তাই এখানে যানজট মেনে নেওয়া যায় না।

পুলিশ সুপার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, রাস্তা দখল করে হকার বসিয়ে যানজট সৃষ্টি ও চাঁদাবাজি যারা করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নারায়ণগঞ্জ শহরকে কোনো চক্রের কাছে জিম্মি হতে দেওয়া হবে না। খুব শিগ্রই আমরা জেলা প্রশাসন সহ সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত সিদ্ধান্তের পর পুরোপুরি যানজট নিরশনে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..