নারায়নগঞ্জ সদর থানাধীন ১নং বাবুরাইল, মোবারক শাহ্ রোডে জমির বিরোধকে কেন্দ্র মোঃ জয়নাল আবেদীন এর পুত্র এস এম মনিরুজ্জামান(৪৬) এর সাথে আব্দুল মজিদ (৭৫) এর সাথে দীর্ঘ বছর যাবৎ দ্বন্দ্ব চলে আসছে। স্থানীয় এলাকার গণ্যমাণ্য ব্যক্তিগণ এই দ্বন্দ্বের মিমাংসা করে দিলেও আব্দুল মজিদ ও তাঁর স্ত্রী সকলের সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে এস এম মনিরুজ্জামান এর বসতবাড়ীর মেরামত কাজে বাঁধা প্রদান করে এবং মারধোর করেছে বলে এমনটাই অভিযোগ উঠে এসেছে। এ-ই ঘটনার বিষয়ে মনিরুজ্জামান বাদী হয়ে আব্দুল মজিদ গংদের বিরুদ্ধে ন্যায় বিচারার্থে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি অভিযোগ করেন বলে জানা যায়।
ঘটনার বিষয়ে ভুক্তভোগী এস এম মনিরুজ্জামান বলেন, মৃত আঃ খালেক এর পুত্র আব্দুল মজিদ ও আব্দুল মজিদ এর স্ত্রী ফারহানা লাকী (৫০) সহ সঙ্গীয় এমদাদ হোসেন মাল্লা (৩৫), পিতা-মৃত হরমুজ মিয়া, সর্ব সাং-মোবারক শাহ্ রোড, ১নং বাবুরাইল, থানা ও জেলা- নারায়ণগঞ্জ এরা আমার পৈত্রিক সম্পত্তির পার্শে ক্রয় সূত্রে সম্পত্তি ক্রয় করে এবং তাদের ক্রয়কৃত জমির বাহিরে জোড় পূর্বক আমার পৈত্রিক সম্পত্তির দুই পার্শ হইতে দীর্ঘ বছর যাবৎ জোড়পূর্বক দখলের পায়তারা করিয়া আসিতেছে। প্রায় ১৭ বছর যাবত ঝামেলা চলিয়া আসিতেছে। এ বিষয় নিয়ে একাধিকবার বিচার শালীস সহ একাধিকবার আমিন ডেকে মাপযোগ করা হলেও আব্দুল মজিদ গং কাহার কোন প্রকার কথায় কর্নপাত না করিয়া বিচার শালীশ হইতে কথা শেষ না করে কিছু না বলে পালিয়ে গিয়েছে। এ বিষয়ে একাধিকবার আমরন থানায় লিখিত অভিযোগ প্রদান করি। তাহারা কয়েকদিন যাবত ভবন নির্মানের কাজ শুরু করিয়া আমার পৈত্রিক বসতবাড়ির সম্পত্তিতে বিগত প্রায় ৫০ বছর পূর্বের ভবনের পিছনে থাকা, পাইপ, জানালার কার্নিস, সুয়ারেজ পাইপ ভেঙ্গে আমার পৈত্রিক ভবনের ২য় ও ৩য় তলায় বসবাসের অনুপযোগী করে তুলেছে।তাদের সহিত এই বিষয়ে আলোচনা করতে গেলে আব্দুল মজিদ অজ্ঞাত সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোকজন নিয়ে ১৩ ডিসেম্বর অনুমান দুপুর ১২:০০ ঘটিকায় আমাদের মারধর করার জন্য উদ্যত হয় এবং আমার জামার কলার ধরে কিলঘুষি মারতে থাকে। ভাঙ্গচুর করেন। আমাকে বাঁচাতে পরিবারের সকলে এগিয়ে আসলে আমাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং আমাদের পরিবারের সকলকে প্রাননাশের হুমকি প্রদান করে।
আব্দুল মজিদ জোড় পূর্বক আমাদের সম্পত্তির দুই পার্শ (পশ্চিম ও উত্তর) হইতে অতিরিক্ত জায়গা জোড়পূর্বক দখল করে রেখে উল্টো আমাদের সহিত খারাপ আচরণ সহ হুমকি ধমকি প্রদান করায় আমরা সবাই আতংকের মধ্যে আছি। আমি প্রতিকার পেতে ঘটনার বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় একটি লিখিতভাবে অভিযোগ করি। তিনি আরো বলেন অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার বিষয়ে তদন্তকারী অফিসার বাসার এসে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
উল্লেখ্য, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির হাই কমান্ড খ্যাত মজিদ তালিকা ভুক্ত সন্ত্রাসী ও গডফাদার হিসেবে পরিচিত। ৫ আগষ্ট পরবর্তী সময়ে অটোরিকশা থেকে চাঁদা তুলে নতুন করে আলোচনায় আসেন। তার সম্পর্কে স্থানীয় সাবেক নারী কাউন্সিলর এর কাছে বিভিন্ন বিষয়ে অনিয়মের অভিযোগ গেলেও স্বজন হওয়ায় সুবাদে কাউন্সিলর এড়িয়ে যান এবং অপারগতা প্রকাশ করেন বলে জানা যায়।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...