• মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০২:১৫ পূর্বাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
৯৫% বর্জ্য পুড়িয়ে ৫০০ মেগাওয়াট উৎপাদন’সহ বছরে ১০০০ কোটি টাকা সাশ্রয়ের সম্ভাবনা নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বিতর্ক প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম মেধা ও শৃঙ্খলাই পুলিশে নিয়োগের একমাত্র মানদণ্ড: প্রার্থীদের দালাল থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান করেছেন এসপি মিজানুর রহমান মুন্সী নারায়ণগঞ্জে আত্মশক্তি নারী উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে মৌসুমি ফল উৎসব পুশ ইন সমস্যা সমাধানের দাবিতে সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান তানভীর হোসেনের মায়ের মৃত্যুতে কামরুল হাসান রোমেনের গভীর শোক প্রকাশ নারায়ণগঞ্জে এলজিডি ভবনের বিপরীতে ‘লাশ ধোয়ার ঘর’ ও অ্যাম্বুলেন্স স্ট্যান্ড দ্রুত নির্মাণ করবেন প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ একাধিক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থায় সর্বমহলে প্রশংসিত এসপি মিজানুর রহমান সাংবাদিক তানভীর হোসেনের মাতার রুহের মাগফিরাত কামনায় এনজেইউ এর দোয়া মাহফিল  বুবলী যুব কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে শতাধিক পরিবার পেল মানবিক সহায়তা

শীতবস্ত্রহীন অসহায়, দরিদ্র, প্রতিবন্ধী ও ভাসমান মানুষের গায়ে কম্বল জড়িয়ে দিলেন মানবিক ডিসি জাহিদুল ইসলাম মিঞা

এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ / ৪৭৯ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী, ২০২৬

শীতের তীব্রতা ও অসহায় মানুষের দুর্ভোগ বিবেচনায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখ গভীর রাতে সশরীরে উপস্থিত হয়ে চট্টগ্রাম মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন।

চট্টগ্রাম মহানগরের দামপাড়া (গরীবউল্লাহ মাজার এলাকা), ষোলশহর রেলস্টেশন এলাকা, মুরাদপুর, চকবাজার ও চেরাগী পাহাড় মোড়, লালদিঘী এলাকা, জেল রোড (আমানত শাহ মাজার) এলাকায় দুস্থ, অসহায়, নিপীড়িত,ভাসমান মানুষের মাঝে মোট ৬০০টি কম্বল বিতরণ করা হয়। জেলা প্রশাসক নিজে ঘুরে ঘুরে অসহায়, দরিদ্র, প্রতিবন্ধী ও বসতবাড়িহীন ভাসমান মানুষের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন।

শুধু কম্বল বিতরণেই সীমাবদ্ধ না থেকে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। শীতার্ত দুই শিশু ঝুমুর ও শাহীনকে রাতের খাবারের প্রয়োজন বিবেচনায় তিনি তাৎক্ষণিকভাবে অর্থ সহায়তা প্রদান করেন। একইসাথে টেকনাফের বাসিন্দা আব্দুল মজিদ, যিনি কন্যাকে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে রাস্তায় জীবনযাপন করছেন, তার ভবিষ্যৎ পুনর্বাসনের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে তাকে ফোন নাম্বার প্রদান করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যোগাযোগের জন্য বলেন।

শীতের এই দুঃসময়ে জেলা প্রশাসকের সরাসরি উপস্থিতি শীতার্ত মানুষের মাঝে স্বস্তি, আস্থা ও আশার বার্তা পৌঁছে দেয়। জেলা প্রশাসক জানান, সমাজের সবচেয়ে অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানো জেলা প্রশাসনের নৈতিক দায়িত্ব এবং এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।তিনি বলেন সমাজের বিত্তবানদের অসহায়, দরিদ্র, প্রতিবন্ধী ও বসতবাড়িহীন ভাসমান মানুষের পাশে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..