• শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
নারায়ণগঞ্জে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হলো শারদীয় দুর্গোৎসব,সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানালেন ডিসি মো: রায়হান কবির ধর্মের শিক্ষা শুধু উৎসবে নয়, প্রতিফলিত হোক কর্মেও: ডিসি জাহিদ নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ও ৫ নম্বর ঘাট বিসর্জনস্থল পরিদর্শন করেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ফতুল্লায় স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে স্বামীকে মারধরের অভিযোগ নারায়ণগঞ্জে ২৪০ মণ্ডপে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর দুর্গোৎসবঃ বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার ফতুল্লায় প্রবাসীর বাড়িতে ঢুকে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, স্ত্রী-সন্তানকে প্রাণনাশের হুমকি শারদীয় দুর্গোৎসবে না’গঞ্জের বিভিন্ন পূজা মন্ডপে মহিলা পরিষদ’র শুভেচ্ছা বার্তা প্রদান নারায়ণগঞ্জে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে পুলিশের মতবিনিময় সভায় ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কবি ও সাংবাদিক সাব্বির আহমেদ সেন্টুর জন্মদিন উদযাপন করলো নারায়ণগঞ্জ জার্নালিস্ট ইউনিটি ২০ অক্টোবর মুক্তি পাচ্ছে দিপু হকের প্রতিবাদী গান ‘ধর্ষিতা রাষ্ট্র’

না:গঞ্জ সিভিল সার্জন ওএসডি হলেও ডা. আতিকুল বারী ও ডা.মোঃ আমিনুল বহাল তবিয়তে

নিজস্ব সংবাদদাতা / ১২৮ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬

নারায়ণগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন ডা. এ,এফ,এম মুশিউর রহমানকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হলেও নানা অভিযোগে অভিযুক্ত বিষয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলেও নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট (খানপুর) হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মুহাম্মদ আতিকুল বারী ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মো. আমিনুল ইসলাম এখনও স্বপদে বহাল রয়েছেন। এ বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

সম্প্রতি জেলা সিভিল সার্জন ডা. এ,এফ,এম মুশিউর রহমানের বিরুদ্ধে প্রয়াত এক ফ্রানচিলিয়া গোমেজের পেনশনের টাকার চেক দেওয়ার ক্ষেত্রে তার পরিবারের কাছে অর্থ দাবি করার অভিযোগ ওঠে। এ সংক্রান্ত একটি অডিও ক্লিপ জাগো নারায়নগঞ্জ ২৪.কম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি আলোচনায় আসে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৯ আগস্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে ডা. এএফএম মুশিউর রহমানকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করার কথা জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের যুগ্ম সচিব সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষর করেন।
অন্যদিকে, নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট (খানপুর) হাসপাতালে কর্মরত ডা. মুহাম্মদ আতিকুল বারী ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মো. আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে সাধারণ রোগীদের বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা সিদ্ধান্তের তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে, একজন জেলা সিভিল সার্জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পর তাকে ওএসডি করা হলেও, একই প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত এসব চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো কেন যথাযথভাবে তদন্ত করা হচ্ছে না।
সাধারণ মানুষের দাবি, কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হোক। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং অভিযোগের ভিত্তি না থাকলে তাদেরও দায়মুক্ত করার ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
তবে সম্প্রতি স্বাস্থ্য সেবা নিয়ে বিভিন্ন জেলায় যে ধরনের অনিয়ম ও দূর্নীতি লক্ষ করা যাচ্ছে সেই প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জোড়ালো নজরদারি প্রয়োজন সেই সাথে দৃষ্টান্ত মূলক শান্তির। তা না হলে এই সব চিকিৎসকদের অবহেলা ও দূর্ণীতির কারনে স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হবে দেশের অগণিত সাধারণ মানুষ।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..