• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৫ অপরাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
নারায়ণগঞ্জে জেলা প্রশাসনের দিনব্যাপী নানা আয়োজনে ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত না.গঞ্জের ফতুল্লার কমর আলী স্কুল ও কলেজে জাজীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত রক্ত দিয়ে জীবন দিয়ে হলেও নারায়ণগঞ্জে সাদপন্থীদের মারকায ইজতেমা বন্ধ করার হুশিয়ারী বিশিষ্ট সমাজসেবক গিয়াস উদ্দিন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী আজ তুরস্কের উদ্দেশে দেশ ছেড়েছেন সাংবাদিক এম সামাদ মতিন ১৭ বছর অনেকেই গার্মেন্টস শিল্প ও শিক্ষা খাতকে ধ্বংস করার চেষ্টা করেছেন: দিপু নগরীর দেওভোগ এলাকায় বেবী ল্যান্ড এডভেঞ্চার জোন এর শুভ উদ্বোধন তুরস্কে COP31 জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন নারায়ণগঞ্জের সাংবাদিক এম সামাদ মতিন নারায়ণগঞ্জ সদরে ১১ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা সামগ্রী ও ঔষধ বিতরণ করেন ডিসি রায়হান কবির শিল্পাঞ্চলে স্বস্তি ফেরাতে বিসিক-ইপিজেডসহ শিল্পাঞ্চল পরিদর্শনে ডিসি-এসপি

নারায়ণগঞ্জে জেলা প্রশাসনের দিনব্যাপী নানা আয়োজনে ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত

এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ / ৫ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬

যথাযোগ্য মর্যাদায় নারায়ণগঞ্জে ‘ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবিরের উদ্যোগে ও জেলা প্রশাসনের আয়োজনে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।

শনিবার (৭ নভেম্বর, ২০২৬) সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে পতাকা বিধি অনুযায়ী সঠিক মাপ ও রঙের জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়।

দিবসটি উপলক্ষে জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে জেলার বিভিন্ন মসজিদে মিলাদ-মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাত এবং মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা সভার আয়োজন করা হয়। এছাড়া জেলার সকল হাসপাতাল, কারাগার, এতিমখানা, শিশুকেন্দ্র, শিশু পরিবার, শিশুসদন, কিশোর সংশোধনী কেন্দ্র, শান্তি নিবাস ও ভবঘুরে প্রতিষ্ঠানসমূহে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়।

বিকেলে নারায়ণগঞ্জ ওসমানী পৌর স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসন বনাম নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন দলের মধ্যে প্রীতি ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় জেলা প্রশাসন দল জয়লাভ করে।

সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জেলা পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সরকারি কর্মকর্তা, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, যুদ্ধাহত ও বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ অংশ নেন। আলোচনা শেষে শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে দেশাত্মবোধক গানের আসর অনুষ্ঠিত হয়।

এছাড়া জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দিবসের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। পরে জেলা প্রশাসক নিজ হাতে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। জেলার সকল সিনেমা হলে এবং ভ্যানযোগে ঘুরে ঘুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস সম্পর্কিত প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয় এবং দিবসটি উপলক্ষে সকল শিশু পার্ক শিশুদের জন্য বিনা টিকেটে উন্মুক্ত রাখা হয়।

আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, “৭ নভেম্বর আমাদের জাতীয় ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন। সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষিত হয়েছিল। জাতীয় ঐক্য ও সংহতির এই চেতনাকে ধারণ করে একটি সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ৭ নভেম্বরের চেতনা জাতীয় ঐক্য ও সংহতির প্রতীক। ৭ নভেম্বরের বৈপ্লবিক চেতনা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণে প্রেরণা ও পাথেয় হয়ে উঠবে বলে তারা প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..