• সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৫ অপরাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
শারদীয় দুর্গাপূজার সার্বিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেখতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে ডিসি ও এসপি নারায়ণগঞ্জে জাতীয় কণ্যশিশু দিবস পালিত নারায়ণগঞ্জকে শান্তিপূর্ণ জেলা হিসেবে গড়তে হলে এখনই সমন্বিত মহাপরিকল্পনা প্রয়োজন নারায়ণগঞ্জকে বিশেষ শ্রেণির জেলায় উন্নীতকরণসহ ১১ দফা দাবিতে মানববন্ধন ডেঙ্গু মোকাবিলায় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন কর্তৃক ৩০০ শয্যা খানপুর হাসপাতালে টেস্ট কিট হস্তান্তর সোনারগাঁয়ের ঐতিহ্য ও প্রত্নস্থল পরিদর্শনে দিনব্যাপী রোড-শো নারায়ণগঞ্জের বাতিঘর: বহুমাত্রিক গুণের অধিকারী অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুম ফতুল্লায় জামিনে এসে ফের বেপরোয়া ছাত্রলীগ নেতা শুভ ও শিমুলের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর অভিযোগ একজন কিংবদন্তি ও এক অনন্য ভালোবাসার নাম লিওনেল মেসি -সুমন চৌধুরী চট্টগ্রামে প্রথমবার জেলা প্রশাসকের হাতে মহালয়ার উদ্বোধন

না’গঞ্জের ফতুল্লায় ২টি ষাঁড় পালনের মধ্য দিয়ে সফল নারী খামারী ফরিদা

জাহাঙ্গীর হোসেন / ৬২৫ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৫

একদিকে স্বামীর সংসারের অভাব-অনটন অন্যদিকে নিজের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দিন-রাত কঠোর পরিশ্রম করে সাফল্যের মুখ দেখতে শুরু করেছেন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার কুতুবপুর ইউনিয়নের দেলপাড়ার ক্যানেলস্থ এলাকার এক নারী উদ্যোক্তা মোছাঃ ফরিদা। স্বামী-সংসারের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে নিজ পায়ে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে মাত্র ২টি ষাঁড় গরু দিয়ে শুরু করে আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠেছেন তিনি। তার এই প্রচেষ্টা দেখে বাড়তি আয়ের আশায় এলাকার অনেকেই আগ্রহী হয়ে উঠছেন খামারী হতে।

ফরিদা একজন ভূমিহীন নারী খামারি; যিনি ২০১৪ সালে আর্থিক লোন নিয়ে দুটি ষাড় দিয়ে ভাড়াকৃত জায়গায় ছোট পরিসরে খামার শুরু করেন । পরবর্তীতে উনি ষাঁড়গুলো বিক্রি করে একটি গাভী এবং একটি বাছুর কেনেন। উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল নারায়ণগঞ্জ সদর, নারায়ণগঞ্জ থেকে গবাদি পশু লালন পালন বিষয়ের উপর বিভিন্ন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।এছাড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সুপারিশে তিনি আর্থিক লোন পান। প্রাণিসম্পদ দপ্তর হতে চিকিৎসা, মেডিসিন, ভ্যাকসিন সহায়তা পান।পরবর্তীতে প্রাণিসম্পদ ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি)এর আওতায় পিজি সদস্য হিসেবে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, প্রণোদনা,ভ্যাকসিন, মেডিসিন, ছাগলের জন্য পরিবেশ বান্ধব ঘর পান। ধীরে ধীরে উনি আরো কিছু গাভী, ২ টি ছাগল, ১৪ টি ভেড়া, ২টি হাঁস, ২ টি মুরগি কেনেন। বর্তমানে তার খামারে গরু- ১৪টি, ছাগল -১৬টি, ভেড়া -৭২টি,কবুতর -১০টি, দেশি মুরগি -৬০টি, হাঁস -৫১টি। ফরিদা ইয়াসমিন বর্তমানে একজন সফল নারী খামারী। তার বাৎসরিক আয় প্রায় কয়েক লক্ষ টাকা। প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে উনি অসামান্য অবদান রাখছেন, সমাজে নিরাপদ প্রাণিজ আমিষ সরবরাহ করছেন। উনি সরকারের কাছে একটি জমি লিজ চান যাতে উনার খামারটি আরো বিস্তৃত পরিসরে করতে পারেন এবং আরো অনেকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারেন।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..