• বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১১:২২ পূর্বাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
ফতুল্লার কমর আলী স্কুল ও কলেজের আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন নারায়ণগঞ্জে শিক্ষা বৃত্তি ও চিকিৎসা সহায়তায়র আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করলপন ডিসি রায়হান কবির নারায়ণগঞ্জ জার্নালিস্ট ইউনিটি’র(NJU) কার্যকরী কমিটি ঘোষণা শুক্কুর মাহমুদ জুয়েল এর “তুমি যদি না আসো” কাব্যগ্রন্থ’র পাঠ উন্মোচন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ফতুল্লায় গ্রাম আদালত বিষয়ক সচেতনতামূলক র‍্যালি বুবলী যুব কল্যাণ সংস্থার ঈদ পুনমিলনী অনুষ্ঠিত দূষণে বাবুরাইল-কাশীপুর লেক: প্রশাসকের দ্বারস্থ সাংবাদিক রাশেদ নারায়ণগঞ্জে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা নকলমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত না.গঞ্জ সদরে ৮ প্রতিবন্ধী ব্যাক্তির মাঝে ব্যবসা সামগ্রী বিতরণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও সৃজনশীলতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ — রায়হান কবির

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রমণ থেকে সুরক্ষার সাতটি উপায়

বিডিনিউজ আই ডেস্ক : / ১২৪৫ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : সোমবার, ২৮ জুন, ২০২১

বিডি নিউজ আই ডেস্ক: ব্ল্যাক ফাঙ্গাস এটি একটি ছত্রাক-জনিত রোগ। মিউকোরমাইকোসিস খুবই বিরল একটা সংক্রমণ। মিউকোর নামে একটি ছত্রাকের সংস্পর্শে এলে এই সংক্রমণ হয়। সাধারণত এই ছত্রাক পাওয়া যায় মাটি, গাছপালা, সার এবং পচন ধরা ফল ও শাকসবজিতে।

চিকিৎসকরা বলছেন, এই ছত্রাক মাটি এবং বাতাসে এমনিতেই বিদ্যমান থাকে। এমনকি নাক ও সুস্থ মানুষের শ্লেষ্মার মধ্যেও এটা স্বাভাবিক সময়ে থাকতে পারে। এই ছত্রাক সাইনাস, মস্তিষ্ক এবং ফুসফুসকে আক্রান্ত করে। কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত ব্যক্তিদের ফুসফুস যেহেতু দুর্বল থাকে, সেজন্য তাদের ক্ষেত্রে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে সংক্রমিত রোগীর চিকিৎসা করছেন ঢাকার বারডেম হাসপাতালের রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন।

অধ্যাপক হোসেন বলেন, ব্ল্যাক ফাঙ্গাস যেহেতু সংক্রামক নয়, সেজন্য এটা নিয়ে চিন্তার কোন কারণ নেই।

ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে সংক্রমিত রোগীদের সাধারণত যেসব উপসর্গ দেখা দেয় তার মধ্যে রয়েছে:

নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং নাক থেকে রক্ত পড়া
চোখে ব্যথা এবং চোখ ফুলে যাওয়া
চোখের পাতা ঝুলে পড়া
চোখে ঝাপসা দেখা, যার থেকে পরে দৃষ্টিশক্তি চলে যায়

নাকের চামড়ার চারপাশে কালো ছোপ ছোপ দাগ দেখা দেয়া

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস থেকে সুরক্ষার উপায়-

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল ফর ডিজিজ কন্ট্রোল বলছে, যেসব জায়গায় ছত্রাকের উপস্থিতি আছে সেসব জায়গা এড়িয়ে যাওয়া খুবই কঠিন।

চিকিৎসকরা বলছেন, যেসব ছত্রাকের কারণে মিউকোরমাইকোসিস হয় সেটা পরিবেশে থাকা খুবই সাধারণ ঘটনা।

তবে যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল তারা কিছু পদক্ষেপ নিতে পারে যাতে করে মিউকোরমাইকোসিস সংক্রমণের সম্ভাবনা কমিয়ে আনা যেতে পারে। এগুলো তুলে ধরা হলো।

১. যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল বা সিডিসি বলছে, যেসব জায়গায় অনেক বেশি ধুলোবালি রয়েছে সেসব জায়গা এড়িয়ে চলা। যদি সেসব জায়গা এড়িয়ে চলা সম্ভব না হয়, তাহলে এন৯৫ মাস্ক ব্যবহার করা।

২. প্রাকৃতিক দুর্যোগে যেসব স্থাপনা পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেগুলোর সরাসরি সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা। সিডিসি বলছে এসব জায়গা থেকে ছত্রাকের সংক্রমণ হতে পারে।

৩. শরীরের চামড়ায় যাতে কোন ইনফেকশন না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা। কোথাও কেটে গেলে কিংবা চামড়া উঠে গেলে সেটি যাতে ধুলো-ময়লার সংস্পর্শে না আসে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

৪. কোভিড-১৯ রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা

৫. রোগীর স্টেরয়েড ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধানী হতে হবে। বারডেম হাসপাতালে রেসপিরেটরি মেডিসিনের অধ্যাপক স্টেরয়েডের ব্যবহার ডায়াবেটিসকে অনিয়ন্ত্রিত করে তুলতে পারে। ফলে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে সংক্রমতি হবার ঝুঁকি বেশি ধাকে।

৬. রোগীকে অক্সিজেন দেবার সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা।

৭. মাস্ক ব্যবহারের ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল বলছে, এসব সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা নিলেই যে মিউকোরমাইকোসিস সংক্রমণ এড়ানো যাবে সেটি এখনো পুরোপুরি প্রমাণিত নয়।(বিবিসি বাংলা)

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..